অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৫শে জুলাই ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ ১৪২৮


লালমোহনে অনলাইনে বিক্রি হবে কোরবানির পশু


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ঠা জুলাই ২০২১ রাত ০৯:৪৬

remove_red_eye

৯০


লালমোহন প্রতিনিধি : আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আজহায় কোরবানির পশু বিক্রি হবে অনলাইনে। করোনা সংক্রমন রোধে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উদ্যোগে ‘আমাদের অনলাইন পশুর হাট লালমোহন ভোলা’ নামের একটি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে কোরবানির পশু বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আহসান উল্লাহ মানিক। তবে এছাড়াও প্রতি বছরের ন্যায় বিভিন্ন হাট বাজারেও বিক্রি হবে কোরবানির পশু।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করছেন ভোলার লালমোহনের খামারিরা। তবে চলমান লকডাউনের কারণে ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন উপজেলার প্রায় ২১৮টি ছোট-বড় খামারি। তারা দাবী করছেন, গত বছরও কোরবানিতে গরুর দামে ধস নেমেছিলো। এবার সঠিক দামের আশা থাকলেও করোনা আর লকডাউনের জন্য ন্যায্য দাম নিয়ে হতাশা বিরাজ করছে খামারিদের মাঝে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহনে ছোট-বড় ও ব্যক্তি পর্যায়ে ক্ষুদ্র খামার রয়েছে ২১৮টি। এসব খামারে আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুতকৃত গরু রয়েছে ১০ হাজার ৯৯০টি, মহিষ ৪০১টি, ছাগল ৩ হাজার ৪২০টি ও ভেড়া রয়েছে ২০৫ টি। এ উপজেলা সরকারিভাবে কোনও খামার বা গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প নেই। তবে কোরবানিকে সামনে রেখে গ্রামের অনেক মানুষ লাভের আশায় গরু-ছাগল লালন-পালন করে থাকেন।
খামারীরা জানান, গরু মোটা-তাজাকরণে তারা কোনোও ক্ষতিকারক ইঞ্জেকশন ব্যবহার করছেন না। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের নির্দেশনানুযায়ী গরুর পরিচর্যা করছেন তারা। কাঁচা ঘাস ও দানাদার খাবারের মাধ্যমেই গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে।
উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের হারুন বেপারীর খামারে গরুর সংখ্যা ৪০টি। কোরবানি হাটের জন্য ১২-১৩ টি গরু প্রস্তুত রেখেছেন বলে জানান তিনি। এরমধ্যে তার খামারে রয়েছে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা দামে গরু। এছাড়াও এ ইউনিয়নে ছোট বড় খামারীদের প্রায় ৫শ গরু রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আহসান উল্লাহ মানিক জানান, করোনা আর লকডাউনের কথা মাথায় রেখে সচেতন ক্রেতাদের জন্য ‘আমাদের অনলাইন পশুর হাট লালমোহন ভোলা’ নামে পশুর হাট আছে, সেখান থেকেও পশু বিক্রি হবে।