অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৪শে জুলাই ২০২১ | ৯ই শ্রাবণ ১৪২৮


চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জে ইউপি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও পুনঃনির্বাচনের দাবি


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯শে জুন ২০২১ রাত ১০:৩৭

remove_red_eye

৪৬




চরফ্যাশন প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার আমজাদ হোসেনের ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বাহার। মঙ্গলবার (২৯ জুন) উপজেলা নির্বাচন অফিসার রফিকুল ইসলামের নিকট তিনি লিখিত ভাবে আবেদন করে এ দাবি করেন।
লিখিত অভিযোগে সাখাওয়াত হোসেন বাহার বলেন, আমি বৈদ্যুতিক পাখা মার্কার প্রতীক নিয়ে হাজারীগঞ্জ ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে আমার প্রতিদ্ব›িদ্ব ফুটবল প্রতীকের  মেম্বার প্রার্থী আমজাদ হোসেন তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকার  ভোটারদের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। বিষয়টি নির্বাচন অফিসারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত করি। এছাড়া উঃ হাজারীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় ভোটের সময় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের দাবি করি। কিন্তু প্রশাসনিকভাবে আমাকে কোন সহযোগিতা না করার কারণে আমজাদ মেম্বার তার ক্যাডার বাহিনী বাহিনী নিয়ে নির্বাচনের একদিন পূর্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার ছোটভাই সৌদি প্রবাসী আহসান সাব্বির আমজাদের ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন। তাদের সন্ত্রাসী হামলা ও মহরার কারণে সাধারণ জনগণ আতঙ্কিত হয়ে পয়ে। এছাড়া  আমজাদ মেম্বার ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে এলে হাত পা ভেঙে দেয়ার হুমকি দেন এবং ভোটের দিনেতার ক্যাডার বাহিনী রাস্তায় মোরে  মোরে দাঁড়িয়ে থেকে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা প্রদান করে। এতে  ভোটাররা নিরাপত্তা হীনতায় কারণে ভোট দেয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমার ৮০ ভাগ সমর্থন থাকার পরও আমজাদ মেম্বারের সন্ত্রাসী বাহিনীর কারণে  ভোটারদের মনোনীত মেম্বার হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করতে পারেনি। আমজাদ মেম্বার ভোট কারচুপি করে নির্বাচিত হয়েছেন। আমি উক্ত নির্বাচন বর্জন করি এবং পুনঃ ভোটের দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে হামলা ভাংচুরের অভিযোগে আমজাদ মেম্বারসহ ২০ জনকে আসামী করে সাখায়াত হোসেনের ছোট ভাই আহসান সাব্বির আমজাদের স্ত্রী নাছরিন বাদী হয়ে গত রোববার চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে আমজাদ হোসেন মেম্বারকে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি  ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয় যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার রফিকুল ইসলাম নির্বাচন বর্জন ও পুনঃ নির্বাচন দাবির আবেদন পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।