অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৫শে জুলাই ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ ১৪২৮


চরফ্যাশনে দুই গ্রুপের সংর্ঘষ ভাংচুর ,আহত-১৫


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে জুন ২০২১ রাত ০৮:৩৮

remove_red_eye

২২৩

 

 

চরফ্যাশন প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাসন উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্ধি দুই প্রার্থী এবং তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১৫জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসময় ভাংচুর করা হয়েছে পাঁচটি মটর সাইকেল। খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। আজ ২১জুন অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে ঘিরে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় হাজারীগঞ্জ ৯নংং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী (বর্তমান ইউপি সদস্য) আমজাদ হোসেন (ফুটবল প্রতিক) এবং শাখাওয়াত হোসেন বাহার (সিলিং ফ্যান প্রতিক) এবং তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটে। আহতরা চরফ্যাশন উপজেলা সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানাগেছে।

 

সিলিং ফ্যান প্রতিকের প্রার্থী শাখাওয়াত হোসেন বাহার অভিযোগ করে বলেন, তার প্রতিদ্বন্ধি (ফুটবল) প্রার্থী আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে তার ভাই নাগর, জামাতা লোকমান মাতাব্বরসহ প্রায় ৫০ জন একত্রিত হয়ে দেশিও ধারালো অস্ত্র,লোহার রড,জিআই তার,এসএস পাইপ,হকিস্টিক, ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর এবং তাঁর কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত নীল ফোলা জখম করে। এতে নারী ও শিশুসহ ১০জন গুরুতর আহত হয়েছে। হামলাকারীরা তার বাবার বসত ঘরে হামলা চালিয়ে ঘরে থাকা ৩টি মটর সাইকেলসহ ঘরের আসবাব পত্র ভাংচুর করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন প্রার্থী  শাখাওয়াত হোসেন বাহার। তবে তার প্রতিদ্বন্ধি ফুটবল প্রতিকের প্রার্থী আমজাদ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, শাখাওয়াত হোসেন বাহারের লোকজন প্রথমে হামলা চালিয়ে আমার কর্মী সমর্থকদের পিটিয়ে আহত করেছে। হামলায় আমার জামাতা লোকমান মাতাব্বরের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। এছাড়াও তাদের হামলায়   আমার ৫জন কর্মী সমর্থক আহত হয়েছে। এসময় তারা আমার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত দুটি মটর সাইকেল ভাংচুর করে পুকুরে ফেলেছে। 

শশিভূষণ থানার ওসি মো.রফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ।