অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৮ই জুন ২০২১ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৮


ভোলা-লক্ষীপুর রুটে নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত,যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে মে ২০২১ রাত ১১:২৭

remove_red_eye

১১১

স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই কোস্টগার্ড অভিযানে ৭টি  ট্রলার ও একটি  স্পীডবোট আটক

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ঈদ শেষে দ্বীপজেলা ভোলা থেকে  কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে যাত্রীরা পদে পদে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। লকডাউন ও মেঘনা নদীর ডেঞ্জার জোনে নিষেধাজ্ঞার কারনে লঞ্চ,সি ট্রাক ও ছোট লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে রয়েছে ভোলা-ল²ীপুর  রুট দিয়ে চলাচলকারি ঢাকা চট্রোগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া যাত্রীরা। সরকারি একমাত্র নৌযান ফেরির উপরই ভরসা করতে হয়। কিন্তু  নাব্যতা সংকটের কারনে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই। বুধবার সকাল থেকে সময় মতো  ফেরি না চলার কারনে ইলিশাঘাটে কয়েক হাজার যাত্রী তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগ পড়ে । অপর দিকে করোনা প্রকপের মধ্যেও যাত্রীরা তোয়াক্কা করছে না স্বাস্থ্যবিধির । তাদের মধ্যে ছিলো কোন সামাজিক দূরুত্ব। অনেকেই মুখে পড়েনি মাস্ক।
বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকে ফেরি চলার কথা থাকলেও বেলা ১০ টা পর্যন্ত ল²ীপুর থেকে ফেরি ইলিশাঘাটে আসেনি। অনেক যাত্রী অবৈধ ট্রালারে পারাপারের চেষ্টা করলেও কোস্টগার্ডের তৎপারতার কারনে যেতে পারেনি।  কোস্টগার্ড অভিযান চালিয়ে ৭টি ট্রলার ও একটি স্পীডবোট আটক করেছে। এসময় সাধারন যাত্রীরা যেতে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে।  কোস্টগার্ডের কঠোর নজরদারির পরও ঘাটের প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ট্রলারে যাত্রী পারাপার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ট্রলার যাত্রী মাইনুল ইসলাম, ইকবাল ও শামসুর রহমান জানান, তারা ঈদের ছুটি শেষে কজে যোগ দিতে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা বাধ্য হয়েই ট্রলারে উঠেছেন। তবে লকডাউনের কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ১০০ টাকার ট্রলার ভাড়া ৩০০ টাকা দিতে হচ্ছে বলে জানান তারা।
একই অভিযোগ করেন স্পিডবোটের যাত্রী জুয়েল, রাকিব ও মোসলেউদ্দিন। তারা বলেন, স্পিড বোটে নির্ধারিত ৩০০ টাকার স্থানি ৭০০ টাকা করে জনপ্রতি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
ভোলা- ল²ীপুর রুটের ব্যবস্থাপন পারভেজ খান ও নৌ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, ভোলা- ল²ীপুর নৌ রুটে বর্তমানে ৪টি ফেরি চলাচল করে। কিন্তু নব্যতা সংকটের কারনে নির্বিঘেœ ফেরি চলাচল করতে না পারায় বিলম্ব হচ্ছে। তবে বিআইডবিøউটিএর ড্রেজিং অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু যে হারে ড্রেজিং করা হচ্ছে তার চেয়ে নদীতে পলি পরছে বেশী। যে কারনে নব্যতা রক্ষা করা যাচ্ছে না। তাই ড্রেজিং মেশিনের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
এদিকে পূর্ব ইলিশা সদর নৌ থানার ইনচার্জ মো: সাঈদ হোসেন জানিয়েছেন, ঈদের পর যাত্রীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় কিছু কিছু অসাধু ব্যাক্তি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে  ট্রলারে যাত্রী পারাপার করছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।