অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৮ই জুন ২০২১ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৮


ইলিশা ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়,নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই মে ২০২১ রাত ১১:০২

remove_red_eye

৫১

ভোলা-লক্ষীপুর রুটে  বন্ধ করা যাচ্ছে না  অবৈধ নৌযান

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে  ঈদের ৪ দিন পরও মঙ্গলবার সকালে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চাপ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম ল²ীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আসা শতশত যাত্রী ঘাটে ফেরি আসতে বিলম্ব হওয়ায়  ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তুু এসব যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই ছিল না। সামাজিক দূরত্ব তো দূরের কথা,অনেক যাত্রীই মুখে ছিল না মাস্ক। এতে করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একটি  ফেরি আসা মাত্রই কে কার আগে উঠবে তার জন্য যাত্রীরা হুমরি খেয়ে পরে। যাত্রীদের সামাল দিতে গিয়ে নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডকে হিমশিম খেতে দেখা যায়। ভোলা-ল²ীপুর রুটে  মাত্র ৪ টি ফেরি চলাচল করলেও ছাড়ার নির্দিষ্ট কোন টাইম টেবিল না থাকায় যাত্রীদের  দুর্ভোগ চরমে  পৌঁছে।
এদিকে মঙ্গলবার কোস্টগার্ড জোরালো তৎপরতার কারণে ইলিশা ফেরিঘাট থেকে লক্ষীপুর উদ্দেশ্যে ট্রলার ছাড়তে পারেনি। তবে ফেরিঘাটের কাছে মৎস্য ঘাট থেকে যাত্রী বোঝাই করে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনা নদীর ডেঞ্জার জোন দিয়ে  ল²ীপুর  যাত্রী পারাপার করেছে। কিন্তু যাত্রীদের জিম্মি করে তিনগুণ ভাড়া আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু কোন ট্রলার বা চালককে আটক করা হয়নি। এতে করে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
ভোলা পূর্ব ইলিশা সদর নৌ থানার ইনচার্জ মো: সাঈদ হোসেন জানান, তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিছু কিছু যাত্রী ট্রলারের পারাপার করলেও অধিকাংশ যাত্রী ফেরিতে যাচ্ছে। অবৈধ নৌ যান বন্ধে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।