অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৭ই এপ্রিল ২০২১ | ৪ঠা বৈশাখ ১৪২৮


ভোলায় লকডাউন অমান্য করে দ্বিতীয় দিনেও চলছে যাত্রীবাহী ট্রলার-স্পিডবোট


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ই এপ্রিল ২০২১ রাত ১০:৪৭

remove_red_eye

৬৮




অচিন্ত্য মজুমদার : করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধি নিষেধের দ্বিতীয় দিনেও লকডাউন অমান্য করে ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ট্রলার ও স্পিডবোট চলছে। মঙ্গলবার সকালে ইলিশা ফেরি ঘাট, লঞ্চঘাট ও মাছঘাট এলাকা থেকে এসব ট্রলার এবং স্পিডবোট স্বাস্থবিধি না মেনেই যাত্রী পারাপার শুরু করে। আবার লক্ষীপুর মতির হাট ও মজুচৌধুরীর হাট এলাকা থেকে একই ভাবে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞায় লঞ্চ-সি-ট্রাক বন্ধ থাকায় এসব অনুমোদনহীন নৌযান যাত্রী পারাপার করছে। তবে ঘাটে নৌ-পুলিশ ও ইলিশা ফারির পুলিশ সদস্যদের দেখা গেলেও তারা নিরব দর্শকের ভ‚মিকা পালন করছেন। সরেজমিনে ভোলার ইলিশা ঘাট এলাকায় সাধারণ যাত্রীদের সাথে কথা হয়। তারা বলছেন জরুরী প্রয়োজনে কেউ কর্মস্থলে আবার কেউ কেউ নিজ এলাকায় ফিরছে। দৌলতখান উপজেলা থেকে আসা যাত্রী ইসহাক আলী ও জয়নাল মিয়া বলেন, তারা চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে দেখতে এসেছিলেন। এখন নোয়াখালীর মাইজদী এলাকার নিজ বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন। তবে লঞ্চ সিট্রাক না থাকায় বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে উত্তাল মেঘনা নদী পাড়ি দিচ্ছেন।
এই সুযোগে কিছু অসাধু ট্রলার ও স্পিডবোট মালিক যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। আবার অনেকে বাড়তি ভাড়া দিতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। ভোলা শহরের ওয়েষ্টার্ন পাড়া থেকে আসা যাত্রী রাজন সাহা জানান, তিনি নোয়াখালীর আলেকজান্ডার এলাকায় তার শশুর বাড়ি স্ত্রী-সন্তানদের দেখতে যাচ্ছেন। তবে স্পিডবোটে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা চাইছে। তাই কম খরচে লক্ষীপুর যেতে ট্রলারের জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি। সদর উপজেলার ভেলুমিয়া থেকে আসা যাত্রী মোঃ আবুল বাশার জানান,  চালকরা বলছে বিভিন্ন জায়গা ম্যানেজ করে তাদের ট্রলার ও স্পিডবোট চালাতে হচ্ছে। তাই সেই টাকা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এব্যাপারে জানতে ভোলা নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সুজন কুমার পালের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাওয়া গেছে।