অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৭ই এপ্রিল ২০২১ | ৪ঠা বৈশাখ ১৪২৮


চরফ্যাসনে প্রবাসীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত ৩


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬ই এপ্রিল ২০২১ রাত ১০:০৫

remove_red_eye

৫৬

চরফ্যাসন  প্রতিনিধি \ ভোলার চরফ্যাসন আসলামপুর ২ নং ওয়ার্ডে পারিবারিক সালিসকে কেন্দ্র করে সালিসদারদের  উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা  করে ৩জন সালিসদারকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । আহতরা হলেন, হারুন (৪০), মাকছুদ (৪০) ও মহিউদ্দিন (৩৫)।
চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন হামলা  আহত মাকছুদ বলেন, সৌদি প্রবাসী নুরে আলম ( ৩৮)ও তার বোন এক বাড়িতে বসবাসরত বিবি হনুফার (৮০) সাথে বিরোধ দীর্ঘদিনের। স¤প্রতি বিবি হনুফা তার ভাই নুর আলমের সাথে সুষ্ঠু মীমাংসা উদ্দেশ্যে আমাদেরকে সালিস করার ভার দেয়। এ বিষয়ে নুর আলম কে সালিসে বসতে বললে, সে সালিশে বসতে অস্বীকৃতি জানায়। এবং যারা তার  সালিস মীমাংসা করবে তাদেরকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। গতকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটায় স্থানীয় বাজারের উদ্দেশ্যে আমরা  রওয়ানা দিলে পথিমধ্যে নুরে আলম ও তার স্ত্রী সেলিনা ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমি ও মাসুদ ধারালো অস্ত্রের আঘাত পেয়ে সরে গেলেও হারুন কে নূরে আলম ও তার স্ত্রী সেলিনা এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে, এতে হারুন গুরুতর আহত হয়। আহত হারুন কে মুমূর্ষ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে নুরে আলমের বোন বিবি হানুফা (৮০) জানান, আমার ভাই সৌদি প্রবাসী নুর আলমের সাথে তার প্রথম স্ত্রীর বিবাদ ও পরবর্তীতে তালাকের জের ধরে আমার মেয়ে তাসলিমার সংসার ভেঙে যায়। তার (নুরে আলম) প্রথম স্ত্রীর সাথে বিবাদে জড়িয়ে আমার কাছ থেকে আমার প্রবাসী ভাই নুরে আলম টাকা ধার নেয় পরবর্তীতে বাংলাদেশে এসে দ্বিতীয় বিয়ে করে এবং আমার পাওনা টাকা দিতে গড়িমসি করে। উল্টো তার দ্বিতীয় বউ সেলিনা আমাকে ও আমার মেয়েকে হুমকি দেয় ও কথায় কথায় মারতে উদ্যত হয়। ভীতসন্ত্রস্ত বিবি হনুফা সংবাদকর্মীদের কাছে অজানা আতঙ্ক নিয়ে বলেন,  নুর আলম ও তার দ্বিতীয়  স্ত্রী সেলিনা সালিসদারদের উপর যেহেতু হামলা করেছে, দুর্ধর্ষ নুরে আলম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী আমাদের উপর যে কোনো সময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করতে দ্বিধা করবেনা, তাই আমি প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই। সরেজমিনে ঘুরে এলাকাবাসী থেকে জানা যায়, নুর আলম খুব বদমেজাজী ।   এলাকাবাসী এ ঘটনায় জড়িত নুরে আলম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী সেলিনার  উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন। চরফ্যাসন থানার ওসি মনির হোসেন জানান, এই ঘটনায় আহত হারুনের ভাই জাফর বেপারী বাদী হয়ে  মামলা মামলা করেছেন  এবং নুরে আলাম ও সেলিনা বেগম নামে দুজনকে আটক করে আদালতে হাজির করা হয়েছে ।