অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৭ই এপ্রিল ২০২১ | ৪ঠা বৈশাখ ১৪২৮


ভোলায় ডায়েরীয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি হাসপাতালে বেড সংকট


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে মার্চ ২০২১ রাত ১১:১৮

remove_red_eye

১৬৭

রোগীদের দুর্ভোগ  চরমে
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক \ ফাগুন মাসের শেষে দিনে গরম ও রাতে শীত পড়ার সাথে সাথে ভোলায় হঠাৎ করে  ডায়েরীয়া রোগের প্রদুরভাব দেখা দিয়েছে। ভোলা সদর হাসপাতালসহ জেলার ৭ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে গত ২ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। ধারনা ক্ষমতার বেশী রোগীর কারনে তারা ভোলা হাসপাতালে সিট যেমন পাচ্ছে না ,তেমনি সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে ডাক্তার ও নার্স সংকটের কারনে অতিরিক্ত রোগীর  চাপে তারা সঠিক ভাবে সেবা দিতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান,শীত শেষ গরম শুরুর পর থেকে গত ২ সপ্তাহ ধরে দ্বীপজেলা ভোলায় ডায়েরীয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়েরীয়া আক্রান্ত এসব রোগী প্রতিদিন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ছুটে আসছে। কিন্তু ভোলা সদর হাসপাতালে ডায়েরীয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য ডায়েরীয়া ওয়ার্ডে মাত্র ১০ টি বেড রয়েছে। অথচ গড়ে প্রতিদিন এ হাসপাতালে গত ২ সপ্তাহ ধরে ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে।  দূর দূরান্ত থেকে আসা এসব রোগী সিট না পেয়ে হাসপাতালের মেঝেতেই বিছানা পেতে চরম দুর্ভোগের মধ্যে নিরুপায় হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, এক দিকে যেমন তারা সিট না পেয়ে মেঝেতে কষ্ট করছে তার উপর ডাক্তাররা ঠিক মতো  রোগী দেখেনা। ঔষধও পাচ্ছে না। উল্টো তাদের বকাঝকা শুনতে হয়। হাসপাতালের সেবিকা জানান, ডায়েরীয়া ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা অনেক বেশী। নার্সের সংখ্যা কম হলেও তারা রোগীদের চেষ্টা করছেন সেবা দেয়ার।
ভোলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা: মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ জানান, এ বছর রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা সিট দিতে পারছেনা। ডাক্তার ও নার্স সংকট থাকার পরও সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক দিতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে তারা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, ২৫০ শয্যার ভোলা হাসপাতালে নতুন ভবনে কার্যক্রম  চালু না হওয়ায় ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ২২ জন ডাক্তারের পদের মধ্যে রয়েছে মাত্র ২ জন চিকিৎসক। তবে ইউনিয়ন থেকে ৮ জন ডাক্তার দিয়ে মোট ১০ জন চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবী দ্রæত নতুন ভবনটি চালু হলে রোগীদের দুর্ভোগ লাগোব হবে।