অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৯শে জানুয়ারী ২০২১ | ৫ই মাঘ ১৪২৭


ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে লঞ্চ প্রতি অতিরিক্ত ঘাট টোল নেয়ার অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২রা ডিসেম্বর ২০২০ রাত ১০:২২

remove_red_eye

১১৯


১৩০ টাকার স্থলে  আদায় করা হয় ৩৫০০ টাকা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটের মৌজুচৌধুরী ঘাটে ১৩০ টাকার পরিবর্তে সাড়ে তিন হাজার টাকা লঞ্চপ্রতি ঘাট টোল ( বার্দিং) আদায় করার অভিযোগ ওঠেছে।  ওই রুটে চলাচলকারী ১৮টি যাত্রীবাহী সিট্রাক ও লঞ্চ মালিকরা এমন টোল আদায় বন্ধ না হলে ধর্মঘট পালন করারও হুশিয়ারি দেয়া হয়।  অপরদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহণ) সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি স্বাক্ষরিত এক অভিযোগ পত্রে অতিরিক্ত টোল ( বাদির্ং) আদায় কারীর বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিআইডবিøউটিএ’র চেয়ারম্যানকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বুধবার ভোলা প্রেসক্লাবকে অবহিত করে চিঠি দেয়া হয়। ওই অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে বরিশাল-ভোলা ( ইলিশা) ও ল²ীপুর ( মৌজুচৌধুরী) ঘাট  ও ইলিশা- মজুচৌধুরী ঘাট রুটে প্রতিদিন ১৮ টি যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল করছে। এই সব লঞ্চ বিভিন্ন ঘাটে ( পন্টুনে ) যাত্রী ওঠা নামা করার জন্য টোল হিসেবে ১৩০ টাকা করে ঘাট ইজারাদারকে দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু মৌজুচৌধুরী ঘাটে আদায় করা হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। ইলিশা ঘাটে নেয়া হয় এক হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকা। মজুচৌধুরী ঘাটে ইজারাদারের প্রতিনিধিকে বাদিং টোলের নামে  তাদের চাহিদামত টাকা না দিলে ওই লঞ্চে যাত্রী ওঠতে বাধা দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। মৌজুচৌধুরী ঘাটের ইজারাদার হচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান ইউছুফ মিয়া । তবে তাদের দাবি চড়া টাকায় ঘাট ইজারা নেয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবে এর প্রভাব পড়ে সব ক্ষেত্রে। তবে যেভাবে অভিযোগ করা হয়েছে ওই ভাবে বাদিং নেয়া হয় না।
 ইলিশা ঘাটের ইজারাদার সরোয়াদ্দি মাস্টার জানান, তাদের ঘাটে লঞ্চগুলোকে বার্তি সুবিধা দেয়া হয়। টাকাও নেয়া হয় কম। সি-ট্রাকের ইজারাদার মোঃ বশির জানান, ইলিশা ঘাটে কম নেয়া হলেও অন্য ঘাটে বেশি নেয়া হয়। ভোলা নদী বন্দর কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান জানান, তারাও এমন অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।