অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৫ই মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ৮৮ হাজার ১’শ ১১ জেলে ২০ কেজি করে চাল পাবে


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩রা অক্টোবর ২০১৯ রাত ০৮:৩৭

remove_red_eye

৭৯৬

হাসনাইন আহমেদ মুন্না ।। জেলায় ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৮৮ হাজার ১১১ জন জেলের জন্য ২০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২দিন মা ইলিশকে নির্বিঘেœ ডিম ছাড়ার জন্য ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে ভোলায় ১ হাজার ৭০০ দশমিক ২২ মে:টন ভিজিএফ’র চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
৯ অক্টোবরের আগেই এসব চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করা হবে এবং ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বিতরণ কার্যক্রম শেষ করা হবে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জেলেরা সাধারণত মাছ ধরেই তাদের জীবীকা নির্বাহ করে থাকেন। যেহেতু সামনের ২২দিন তারা নদীতে ইলিশসহ কোন মাছই ধরতে পারবেনা। তাই সরকার তাদের জন্য চালের ব্যবস্থা করেছে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন-১৯৫০ অনুযায়ী এই সময়ে ইলিশ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দন্ডনীয় অপরাধ।
তিনি আরো জানান, আইন অমান্যকারীর কমপক্ষে এক বছর হতে দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় প্রকার দন্ডে দন্ডিত হবেন। এছাড়া সকল ধৃত মাছ ও মাছ ধরার উপকরণ বাজেয়াপ্ত করা হবে। তাই ইলিশের বংশ বৃদ্ধিতে সকলকে সহায়তা করার আহবান জানান তিনি।
এদিকে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করতে জেলার ৭ উপজেলায় মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলেদের অবগত করার জন্য জেলে পল্লী, মাছ ঘাট, মৎস্য আড়ৎ ও বাজারগুলোতে সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে। এছাড়া ব্যানার, লিফলেট ও পোষ্টার লাগানো হচ্ছে নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের মাছ ধরা থেকে বিরত রাখার জন্য।