অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৫শে নভেম্বর ২০২০ | ১১ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭


ভোলায় অন্ত:সত্ত্বা গৃহবধূর উপর হামলা মারধর


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২শে নভেম্বর ২০২০ রাত ০৯:৩৬

remove_red_eye

৮৫




গর্ভের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মামলা

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় জমি-জমা বিরোধের জেরে হামলা করে অন্ত:সত্ত¡া নারীর চার মাসের ভ্রæণ হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। হামলায় গুরুতর আহত নারী বিবি হালিমা ভোলা সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পঞ্জা লড়ছে। শনিবার দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রতিপক্ষ ইউনুস গংদের বিরুদ্ধে এসকল অভিযোগ করে আহত বিবি হালিমা। এর আগে গত সোমবার সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের গুপ্তমুন্সি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হালিমা বাদী হয়ে অভিযুক্ত নয় জনের বিরুদ্ধে মারধর করে তার গর্ভের সন্তান হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা করেন।
মামলার এজহারে আহত বিবি হালিমা উল্লেখ করেন, তাদের প্রতিবেশী ইউনুছ ও মফিজ গংদের সাথে তাদের ক্রয়কৃত পাঁচ শতাংশ জমি নিয়ে গত দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র ইউনুস ও মফিজ গংরা তাদের জমির গাছ নষ্ট করাসহ রাতের আধারে গাছের সুপারী পেড়ে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ গন্যমান্যরা সালিশ করলেও তারা তা মানেনি।
সর্বশেষ গত সোমবার (০৯ নভেম্বর) সকালে তার ছোট ভাই মো. শান্ত তাদের বাগানের সুপারী পাড়তে যায়। এ সময় মফিজ উদ্দিন ও ইউনুস শান্তকে এলোপাথারি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। এ অবস্থায় বিবি হালিমা ও তার বোন রাজিয়া ঘটনা স্থলে গেলে মফিজ, ইউনুস, হারুন, সালাউদ্দিন, সলেমান, রিনা বেগম, ফাহিমা ও সুরমা মিলে লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। এক পর্যায়ে মফিজ বিবি হালিামার তল পেটে লাথি মারলে সে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পরে যায়। এর পরও তারা হালিমা ও তার বোন রিজিয়াকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। এবং তাদের সাথে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাকে চিকিৎসা দিয়ে বাসায় নিয়ে যায়। বাসায় নেয়ার পর থেকেই হালিমার রক্তক্ষরন হয়। এ অবস্থায় তাকে ভোলা সদরে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষ-নিরীক্ষা করে তার গর্ভের বাচ্চা মারা গেছে বলে জানায়। এবং বাচ্চা ফালানোর জন্য ও রক্ত বন্ধ হওয়ার জন্য ওষুধ লিখে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরে তার অবস্থা আরো অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এঘটনায় গত ১৬ নভেম্বর সোমবার ভোলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গর্ভের সন্তান হত্যার অভিযোগে মামলা করেন বিবি হালিমা। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য ভোলার ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহিদুল ইসলামকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত ইউনুসকে একাধিকবার মোবাইলে করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
 ভোলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে আদালত থেকে একটি মামলার তদন্ত আসছে। আমরা তদন্ত করে সঠিক সময়ে তা আদালতে উপস্থাপন করবো।