অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৫শে নভেম্বর ২০২০ | ১১ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭


ভোলায় সংখ্যালঘুর পরিবারের উপর হামলা,বাড়ি দখলের অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ই নভেম্বর ২০২০ রাত ১০:১৯

remove_red_eye

৬৫

ছেলে পুলিশ কনষ্টবল হওয়ার দাপট

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার ভেলুমিয়া চন্দ্র প্রসাদ গ্রামে ছেলে পুলিশ কনস্টেবলে চাকুরি করে। এমন প্রভাব দেখিয়ে  ৬০ বছরের পৈত্তিক বাড়ি থেকে মনিন্দ্র চন্দ্র শীল পরিবারকে উৎখাতে মরিয়া হয়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে রুহুল আমিন কাজীর বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে কাজি’র নেতৃত্বে ছেলে আনোয়ার হোসেন, অপর ছেলে পুলিশ কনস্টেবল আজগর ও পুলিশ কনস্টেবল মিজানুর রহমান মিজু বহিরাগতদের নিয়ে মনিন্দ্র চন্দ্র শীলের পরিবারের উপর হামলা করে। এদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার জন্য  হুমকি দেয়। এটি শেষ বারের ওয়ারনিং বলেও জানান দেয়। মনিন্দ্রকে মারধরের দৃশ্য দেখে ছুটে আসেন স্ত্রী উষা রাণী। তাকেও বেদম প্রহার করা হয়। উষা রানী ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস সালাম মাস্টার জানান,  রুহুল আমিন কাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে।  মনিন্দ্র চন্দ্রের বাড়ির জমি তাদের বলে দাবি করছে। তবে ইউপি চেয়ারম্যান জানান, তিনি ওই এলাকায় বাড়ি করার অনেক আগেই মনিন্দ্র চন্দ্র শীলদের বসবাস। রুহুলআমিন কাজী অনেক পরে মনিন্দ্রদের বাড়ির পাশে জমি কিনে বাড়ি করে। মনিন্দ্র চন্দ্রের ভাই রাখাল চন্দ্র জানান, বেশ কয়েক বছর ধরেই ওই এলাকা থেকে চলে গিয়ে অন্যত্র বাড়ি করতে হুমকী দিয়ে আসছে রুহুল আমিন কাজী  ও তার ছেলেরা। রোববারও জোর পূর্বক গাছ কাটতে থাকে। বাঁধা দিলে তাদের উপর হামলা করে। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে জানান, হামলার পর আহতদের দেখতে তারা হাসপাতালে যান। বিষয়টি দুঃখজনক। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। অপর দিকে রুহুলামিন কাজির ছেলেরা দাবি করেন, তারা কোন হামলা করেন নি। ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান,  ব্যবস্থা নিতে ভেলুমিয়া পুলিশ ফাঁড়িকে বলা হয়েছে।