অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৫শে নভেম্বর ২০২০ | ১১ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭


ভোলায় ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে বোনের উপর হামলার অভিযোগে মামলা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১লা নভেম্বর ২০২০ রাত ০৮:৪৮

remove_red_eye

৩৬৭

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পাপন চৌধুরী তার আপন ছোট বোনের উপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে। ইতিপূর্বে চাঁদাবাজী, নারী নির্যাতন মামলা হওয়ার পর এবার  পাপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তার ছোট বোন  মারধরের অভিযোগে ভোলা মডেল থানায় শনিবার রাতে মামলা করেছে । তবে রবিবার দুপুরে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ ঘটনা নিয়ে পাপন চৌধুরীর বোন ফেসবুক লাইভে নির্যাতনের বিষয় তুলে ধরলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।  
পাপিয়া চৌধুরী জানান, তার পিতা বাবুল চৌধুরী ২০১৬ সালে মারা যান। তারা এক ভাই ও এক বোন। বড় ভাই ইব্রাহীম চৌধুরী পাপন গোপনে নিজেকে এক মাত্র সন্তান দেখিয়ে ভুয়া ওয়ারিশ নামা তৈরী করেন।  পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি একের পর পর এক বিক্রি করতে থাকে। বোরহানউদ্দিনের সম্পত্তি বিক্রি করার পর ফের ভোলা সরকারি কলেজের সামনে তার পিতার ২২ শতাংশ জমি সহ ঘর বাড়ি বিক্রির চেষ্টা চালায়। ওই জমিও গত মাসের ২৪ তারিখে নামজারি করে নিচ্ছিল। এমন খবরে সহকারি কমিশনার ভূমি অফিসে গিয়ে পাপিয়া আপত্তি জানান। একই সঙ্গে ২৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসক ও এসিল্যান্ড বরাবর আবেদন করে প্রকৃত মালিকানার বিষয় তুলে ধরেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন পাপন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, পারিবারিক ও জমির  বিরোধকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুরে কালিবাড়ি রোডের পাপিয়া চৌধুরীর ভাড়া বাসায় তার আপন ভাই পাপন চৌধুরী দেশীয় অস্ত্রসহ ২/৩ জন লোক নিয়ে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করতে বাধা দিলে লাঠিসোটা দিয়ে পাপিয়া চৌধুরীকে মারধর করে। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে  জখম হয়। এসময় তার গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। ওই সময় ডাক চিৎকার করলে তাকে হত্যার হুমিকে দিয়ে তারা চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন পাপিয়াকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেন। এ ঘটনায় পাপিয়া চৌধুরী বাদী হয়ে ভোলা মডেল থানায় তার ভাই ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পাপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১ , তারিখ ১.১১.২০২০ইং। তবে পাপন চৌধুরী হামলা ও হুমকীর বিষয় জড়িত নয় বলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবী করেন।
এ ব্যাপারে ভোলা মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, তারা আসামীকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে ভোলা থানায় ইতি পূর্বে চাঁদাবাজী,নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলা করা হয়। মামলা গুলোর নাম্বার হচ্ছে মামলা নং ২৯,তারিখ ১৯.৬.২০১৯,মামলা নং ৪৪, তারিখ ১৫.৩.২০১৯, মামলা নং ৩২ ,তারিখ ১৭.৮.২০১৮ , মামলা নং ৬৪ তারিখ ২৫.৫.২০১৭ইং।