অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ১২ই জুলাই ২০২৬ | ২৮শে আষাঢ় ১৪৩৩


মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় ফসল রাস্তাঘাট ও ঘর বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি


মনপুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২ই জুলাই ২০২৬ রাত ১০:০৩

remove_red_eye

৪২

মনপুরা প্রতিনিধি : ভোলার মনপুরায় টানা ৭ দিনের বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় আমন ফসলের ক্ষেত, শাক-সবজি, কাঁচাপাকা রাস্তা, ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়েনর বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে এখনও ২০ হাজারের ওপরে মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। এখন পর্যন্ত দুর্গত এলাকায় সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কেউ ত্রান নিয়ে পাশে দাঁড়ায়নি।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে স্বেচ্ছাশ্রমে  পানি নিষ্কাশনের কাজ করছে যুবদলের নেতাকর্মীরা এমনটি জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা ও সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিম। 
এদিকে রোববার দুপুর ৩ টায় টানা বর্ষণে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দেন উপজেলা ঘুর্ণীঝড় ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিন।
তিনি জানান, মনপুরায় টানা বর্ষণে উপজেলার ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এছাড়াও ৫ ইউনিয়নে ৫ টি ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতি ও ২০ টি ঘর আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ২৫ কিলোমিটার কাঁচা-পাকা সড়কের ক্ষতি হয়।তিনি ওইসমস্ত ক্ষতির তালিকা করে জেলায় প্রেরণ করছেন বলে নিশ্চিত করেন। জেলা থেকে বরাদ্দ পাওয়া গেল ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ৮ হেক্টর জমির শাক-সবজি ক্ষতি হয়। এছাড়াও ৭০ হেক্টর জমির আমনের বীজতলা সহ ফসলের মাঠের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 


সরেজিমনে ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপকূল জুড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে ডুবে রয়েছে। উপকূলে স্থানীয়দের পাশে যুবদলের নেতাকর্মীরা পানি নিষ্কাশনের কাজ করছে। অনেকে জুড়ি ও কাঠের ওপর কোন রকম চুলা বানিয়ে রান্না শুরু করেছেন। ত্রান না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কৃষকের আমন ফসলের মাঠ পানিতে ডুবে রয়েছে।

এই ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান তৌহিদ জানান, কৃষকদের কৃষি পরামর্শা দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা করে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে দেওয়া হবে।