অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২৫শে জুন ২০২৬ | ১১ই আষাঢ় ১৪৩৩


ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০ ভূমিকম্প: প্রাণ গেছে লাখো মানুষের


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫শে জুন ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৪

remove_red_eye

৪৭

ভেনেজুয়েলায় সম্প্রতি ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় ভূমিকম্প হলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর তালিকায় এর স্থান নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্তিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল ১৯৬০ সালে চিলিতে। ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৯.৫ এবং এতে অন্তত ১ হাজার ৬৫৫ জন নিহত হন।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে আঘাত হানা ৯.২ মাত্রার ভূমিকম্প। এতে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়।

২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প এবং পরবর্তী সুনামিতে ২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত।

২০১১ সালে জাপানের তোহোকু অঞ্চলে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এই ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামি ফুকুশিমা পারমাণবিক বিপর্যায়ের কারণও হয়ে ওঠে।

১৯৫২ সালে রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে ৯.০ মাত্রার ভূমিকম্পে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

এ ছাড়া ২০২৫ সালে একই অঞ্চলে ৮.৮ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে উন্নত সতর্কতা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতির কারণে এতে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

তালিকায় আরও রয়েছে ২০১০ সালে চিলির বায়োবিও অঞ্চলের ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, ১৯০৬ সালে ইকুয়েডরের এসমেরালদাস অঞ্চলের ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, ১৯৬৫ সালে আলাস্কার ৮.৭ মাত্রার ভূমিকম্প এবং ১৯৫০ সালে ভারতের অরুনাচল প্রদেশে আঘাত হানা ৮.৬ মাত্রার ভূমিকম্প।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের মাত্রা যত বড়ই হোক, প্রাণহানির পরিমাণ অনেকাংশে নির্ভর করে জনবসতি, অবকাঠামোর মান, সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতির ওপর।