অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ১৯শে আগস্ট ২০২৬ | ৪ঠা ভাদ্র ১৪৩৩


ভোলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কমিটি থেকে যুগ্ম সম্পাদকের পদত্যাগ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ই আগস্ট ২০২৬ রাত ১১:১৮

remove_red_eye

৯৬

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : ভোলা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, সদস্যদের বৈধতা এবং কয়েকজন সদস্যের বাস-মিনিবাসের মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন তুলে যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মুনতাসির আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সমিতির সভাপতির কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১২ আগস্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হলেও কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচন বা অনুমোদন প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হয়নি। সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত একটি নথির মাধ্যমে কার্যকরী কমিটি গঠনের বিষয়টিও তার কাছে যথেষ্ট স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।
পদত্যাগপত্রে তিনি আরও অভিযোগ করেন, নতুন কমিটির কয়েকজন সদস্য আদৌ সমিতির বৈধ ও তালিকাভুক্ত সদস্য কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের সদস্যপদ কোন প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত হয়েছে এবং হালনাগাদ সদস্য রেজিস্টারে তাদের নাম রয়েছে কি না—তা যাচাই করা প্রয়োজন।
এ ছাড়া একটি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যকরী কমিটিতে থাকা কয়েকজন সদস্যের নিজস্ব বাস বা মিনিবাসের বৈধ মালিকানা রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের নামে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানার কাগজপত্র যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা কীভাবে নির্বাচিত, মনোনীত বা অনুমোদিত হয়েছেন, তারও স্পষ্ট নথি নেই। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সমিতির গঠনতন্ত্র অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন বলে দাবি করেন তিনি।
মুনতাসির আলম চৌধুরীর দাবি, এসব প্রশ্ন কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে নয়; বরং সমিতির স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সাংগঠনিক বৈধতা নিশ্চিত করার স্বার্থে তোলা হয়েছে। অভিযোগগুলোর নথিভিত্তিক ও নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কমিটির দায়িত্বশীল পদে থাকা তার পক্ষে সম্ভব নয় বলেও পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।
এ অবস্থায় ১২ আগস্ট গঠিত ২১ সদস্যের কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া, সদস্যদের বৈধতা, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বাস-মিনিবাসের মালিকানা ও রেজিস্ট্রেশন এবং বিভিন্ন পদে দায়িত্ব দেওয়ার বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।