অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২৫শে জুন ২০২৬ | ১১ই আষাঢ় ১৪৩৩


দৌলতখানে মানবপাচার মামলায় ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ


দৌলতখান প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫শে জুন ২০২৬ সকাল ১০:১২

remove_red_eye

৩৭

দৌলতখান প্রতিনিধি : ভোলার দৌলতখানে পারভেজ নামে এক প্রবাসী ও তার অসহায় পরিবারকে মানবপাচার মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বকশী হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার বর্তমানে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। 

ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে জানান, তার ছেলে পারভেজ ওমান প্রবাসী। সেই সুবাদে প্রতিবেশী আইয়ুব আলী ও তার জামাতা ডালিমের অনুরোধে ২০২৩ সালে পারভেজের মাধ্যমে আইয়ুব আলীর ছেলে সবুজকে ওমানে নেওয়া হয়। ওমানে যাওয়ার কয়েক মাস পর সবুজ একটি ভালো চাকরি পেলে কাউকে কিছু না বলে  আত্মগোপনে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বাবার মাধ্যমে পারভেজের পরিবারকে টাকার জন্য চাপপ্রয়োগ করেন। 
তিনি আরও জানান, এর কিছুদিন পর হঠাৎ করে সবুজকে নিখোঁজ দাবি করে তার বাবা আইয়ুব আলী ভোলায় মানবপাচার অপরাধ  ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তার ছেলে পারভেজ ও তাকে আসামি করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনা ও মামলার চাপের কারণে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় আমি প্রশাসনের কাছ সঠিক বিচার দাবি করছি।
ওমান প্রবাসী পারভেজ বলেন, “সম্প্রতি আমি সবুজকে খুঁজে বের করে তার একটি ভিডিও ধারণ করি এবং সেটি বাংলাদেশে তার পরিবারের কাছে পাঠাই। পরে সবুজকে তার পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথাও বলানো হয়। এর আগেও সবুজ আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় পরিবারের কাছে টাকা পাঠিয়েছিল। এরপরও পরিকল্পিতভাবে ৫ লাখ টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে আমার ও আমার বাবার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়ে। এ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সবুজের বাবা আইয়ুব আলী বলেন, “আমার ছেলের সাথে আমাদের কথা হয়। আলাউদ্দিন হাওলাদার ও তার ছেলে পারভেজ আমাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছে। সে কারণেই আমি মামলা করেছি।”
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।