বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩শে জুন ২০২৬ বিকাল ০৫:৪১
৭৩
পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ‘রেড হিট অ্যালার্ট’ জারি থাকতেই নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে নাসা।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরে ‘সুপার এল নিনো’ পরিস্থিতি শুরু হয়েছে।
স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ থেকে পাওয়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত সেন্টিনেল-৬ মাইকেল ফ্রেইলিচ স্যাটেলাইট ৮ জুন নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের কয়েকটি এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা শনাক্ত করে, যা শক্তিশালী এল নিনোর ইঙ্গিত দেয়।
নাসার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সমুদ্রের পানি গরম হলে তা প্রসারিত হয়, ফলে পানির স্তর বৃদ্ধি পায়। তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা সমুদ্রের তাপমাত্রা ও জলবায়ুর পরিবর্তন বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
‘এল নিনো’ একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া, যা নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
যখন এটি শক্তিশালী আকার ধারণ করে, তখন তাকে ‘সুপার এল নিনো’ বলা হয়। এই সময় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ও উচ্চতা দুই-ই বৃদ্ধি পায়, যা বৈশ্বিক আবহাওয়ার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
নাসা সতর্ক করে বলেছে, এবারের সুপার এল নিনোর প্রভাব ব্যাপক হতে পারে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপার এল নিনোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
অন্যদিকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলেই তীব্র গরম অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এই অবস্থার কারণে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল, ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা এবং এশিয়ার বড় অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা দেখা যেতে পারে।
দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণ আফ্রিকায়ও দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ আবহাওয়া থাকতে পারে।
সেন্টিনেল-৬ প্রকল্পের বিজ্ঞানী ডা. সেভেরিন ফুরনিয়ে বলেন, ১৯৯৭ সালের বড় এল নিনো ঘটনার সঙ্গে চলতি বছরের আট জুনের পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের পরিস্থিতি অনেকটাই মিল রয়েছে।
১৯৯৭ সালের সেই এল নিনো ছিল ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী জলবায়ু পরিস্থিতি। এবারকার পরিস্থিতিও একই ধরনের শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুপার এল নিনো শুধু তাপমাত্রাই নয়, বৃষ্টিপাতের ধরনও বদলে দেয়। এর প্রভাবে কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে। যেমন—দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল এবং আফ্রিকার কিছু এলাকা। অন্যদিকে মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, অতীতে শক্তিশালী এল নিনোর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বড় ধরনের খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। উনিশ শতকের কিছু ঘটনায় ভারত, চীন ও ব্রাজিলে দুর্ভিক্ষে কয়েক কোটি মানুষের মৃত্যু হয়।
আমরা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি: ফখরুল
যেখানেই অবহেলা-দুর্নীতি, সেখানেই চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অন্য কোনো সংগঠনে নেই: জামায়াত আমির
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী
ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ
সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত জুলাই শহীদের স্বজনেরা
খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে : অর্থমন্ত্রী
একজন মানুষের ইগো যে দেশ-দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা : সোহেল তাজ
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক