অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২১শে জুন ২০২৬ | ৭ই আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় যৌন হয়রানি ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে পরামর্শ সভা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে জুন ২০২৬ রাত ১০:৫৯

remove_red_eye

১৮

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় যৌন হয়রানি ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং করণীয় নির্ধারণে জেলা পর্যায়ের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ভোলা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নারী, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যৌন হয়রানি ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অ্যাসোসিয়েশন অব ভলান্টারি অ্যাকশনস ফর সোসাইটি (আভাস) এর ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের উদ্যোগে এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর কারিগরি সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় আয়োজকরা জানান, প্রকল্পটির মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত ও বহুমাত্রিক সিভিল সোসাইটি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, যেখানে শিশু ও যুবসমাজ বিশেষ করে কিশোরী ও তরুণ নারীরা ক্ষমতায়িত হবে, নিজেদের অধিকার চর্চায় সক্ষম হবে এবং লিঙ্গসমতা উপভোগ করবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. বেলাল হোসেন,ভোলা সিভিল সার্জন ডা. মুনিরুল ইসলাম,জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহ আব্দুর রহিম নুরুন্নবী,সহকারী কমিশনার এ.টি.এম রুহুল আমিন, মো. আবু রায়হান, ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং পরানগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব,ব্যাংকেরহাট কলেজের প্রভাষক মো. জহিরুল ইসলাম ইভান তালুকদার সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
আভাসের পৃষ্ঠপোষকতায় অর্থায়িত প্রকল্প ব্যবস্থাপক সঞ্জয় বিশ্বাস অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন আভাসের ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোসাম্মাত মাহবুবা আক্তার। সভায় বক্তারা বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে সিভিল সোসাইটি সংগঠনসমূহ, বিশেষ করে যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন ও গ্রুপগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে, যাতে তারা আরও সহায়ক নাগরিক পরিসরে কাজ করে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণে সক্ষম হয় এবং যৌন হয়রানি ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।