অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ১৩ই মে ২০২৬ | ৩০শে বৈশাখ ১৪৩৩


সব প্রকৌশল বিভাগের রেট শিডিউল এক থাকবে: প্রধানমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ই মে ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৯

remove_red_eye

৩৩

সব প্রকৌশল ডিপার্টমেন্টের রেট শিডিউল এক থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্প অনুমোদনের সময় তিনি এই নির্দেশনা দেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তর, ওয়াসা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর পৃথক পৃথক রেট সিডিউলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। সবার রেট শিডিউল এক করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সঠিক সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ব্যয় সাশ্রয়ী হতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে বড় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় আবেগ আপ্লুত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটি নিয়ে বাবা জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

একনেক সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে আমরা পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আন্দোলন করছি। ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আমরা আন্দোলন করছি। আমাদের এই অঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে পড়ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে কৃষি ও মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

একনেক সভায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৯টি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

আজকের সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো: চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ/পুনর্নির্মাণ (প্রথম ফেজ) প্রকল্প। হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। এছাড়া সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প, সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প, ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।