অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৫ই এপ্রিল ২০২৬ | ২২শে চৈত্র ১৪৩২


ভোলার মেঘনায় স্পিডবোট দুর্ঘটনা: নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে মার্চ ২০২৬ রাত ১২:৩০

remove_red_eye

৭৯

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য বিভাগের অভিযানে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে স্পিডবোট ডুবির ঘটনার দুই দিন পর নিখোঁজ পুলিশ সদস্য ফকরুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। ফকরুল ইসলাম লালমোহনের মঙ্গল শিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য ,বুধবার রাতে লালমোহন উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে যৌথ অভিযানে যাওয়ার সময় মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের সাত সদস্যের একটি দল ভাড়া করা একটি স্পিডবোটে করে রওনা দেন। পথে ঘাটে নোঙর করা একটি লঞ্চের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তীব্র স্রোতে স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে পুলিশসহ সাতজন নদীতে পড়ে যান। স্থানীয়দের সহায়তায় ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ফকরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে পুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ উদ্ধারকারী দল তল্লাশি চালিয়ে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল থেকে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।