অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলার লালমোহনে মৎস্য রক্ষার অভিযানে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে স্পিডবোট উল্টে এক কনস্টেবল নিখোঁজ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে মার্চ ২০২৬ দুপুর ০১:৩০

remove_red_eye

৮৭

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার লালমোহনে মৎস্য বিভাগের অভিযানে যাওয়ার সময় মেঘনা নদীতে তীব্র স্রোতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি স্পিডবোট ঘাটে বাঁধা লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে পুলিশসহ ৭ জন নদীতে ডুবে যায়। এদের মধ্যে ফকরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল নিখোঁজ রয়েছেন। 
বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর লালমোহন উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসাইন জানান, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে যৌথ অভিযান পরিচালনার জন্য মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ৭ সদস্যের একটি দল বুধবার সন্ধ্যায় মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট থেকে ভাড়া করা একটি স্পিডবোটে করে বাত্তির খালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
এসময় ঘাটে নোঙর করা এমভি কর্নফুলী-১০ লঞ্চের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তীব্র স্রোতের কারণে স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লঞ্চটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে মুহূর্তেই বোটটি উল্টে গিয়ে সবাই নদীতে পড়ে যায়।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ৬ জনকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল ফকরুল ইসলামের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
লালমোহন ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা জোরদারের জন্য বরিশাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম ও মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এরশাদ উকিল সাংবাদিকদের জানান, নিখাঁজ মোঃ ফখরুল মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কনস্টেবল। ঘটনার পর কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী টিম নদীতে নেমে তল্লাসী চালাচ্ছে। ফখরুলেরর দেশের বাড়ি বাকেরগঞ্জে।