অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫ই আশ্বিন ১৪২৭


অবশেষে ইলিশা ঘাটের নিমজ্জিত পন্টুন উদ্ধার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২০ রাত ১০:১৮

remove_red_eye

৫৩



অমিতাভ অপু : ভোলায় ঝড় ও জলোচ্ছাসে  ইলিশা লঞ্চ ঘাটের ডুবে যাওয়া পন্টুন অবশেষে ২৩ দিন পর শুক্রবার উদ্ধার করা হয়েছে। বিআইডবিøউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভিকসহ দুটি  জাহাজ উদ্ধার অভিযানে ছিল। সহকারী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল বাকী, প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে  সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান চালানো হয় ।  বিকালে ডুবে যাওয়া পল্টুনটি পানির নিচ থেকে তুলে বরিশাল নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে বিআইডবিøউটিএ’র কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার করা বিধস্ত পন্টুনটি সরিয়ে নেয়ার পর ওই ঘাটে নতুন গ্যাংওয়ে সিস্টেম পন্টুন দেয়া হবে।  ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান জানান, গত মাসের ১৮ তারিখে ঝড়ের তান্ডাবে এটি বিধস্ত হয়। ডুবে যায়। ওই থেকে ওই ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ২৩ দিনেও দেয়া স্থাপিত হয় নি নতুন পন্টুন ।  ঢাকা ও ল²ীপুরগামী ২০ লঞ্চ-সিট্রাক পাশর্^বর্তি ফেরিঘাটের পন্টুনে যাত্রী ওঠানামা করছে। এতে ফের চলাচল ব্যহত হচ্ছে বলেও স্বীকার করেন নদীবন্দর কর্মকর্তা । এদিকে ডুবে যাওয়ার পর নতুন পন্টুন স্থাপন করা হয় নি ওই ঘাটে। কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ও বে-সকারি মালিকানাধিন লঞ্চ, সি-ট্রাকের নিরাপত্তা প্রশ্ন তোলেন লঞ্চ মালিক পক্ষ। একই কথা সরকারি যান সিট্রাকের  চ্যাটাররা। বিআইডবিøটিসি’র মালিকানাধিন সি-ট্রাক খিজির-৮ ও খিজির-৫ এর চ্যাটার মোঃ বশির মিয়া জানান, পন্টুন না থাকায় সরকারি মালিকাধিন প্রতিষ্ঠানের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের সি-ট্রাক নিয়ে তারা বিপাকে রয়েছেন। বাধ্য হয়ে ফেরির পন্টুনে ঘাট দিতে হচ্ছে। এক দিকে ফেরিতে যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোড হচ্ছে। অপরদিকে লঞ্চ-সিট্রাকে যাত্রী ওঠানামা করছে। ফলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা করছেন সি-ট্রাকের চ্যাটারসহ লঞ্চ মালিকরা। একই কথা জানান, ফেরির তদারকির দায়িত্বে থাকা অফিস ইন চার্জ (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ হেলাল উদ্দিন। তিনি জানান বিষয়টি তাদের কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে।