অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬ | ২১শে চৈত্র ১৪৩২


চরফ্যাশনে একজনকে কুপিয়ে হত্য


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৩:৪১

remove_red_eye

৪১

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার রসুলপুর এলাকায় আঃ রহিম ভুট্টু (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আব্দুর রহিম স্থানীয় যুবলীগের নেতা ছিলেন। 
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে রসুলপুর ইউনিয়নের কলেরহাট রাস্তার মাথা এলাকায় দুর্বৃত্তরা ভুট্টোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 
নিহত ভূট্টুর চাচাতো ভাই ফিরোজ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, ভূট্টুর আমির হোসেনের সাথে স্থানীয় যুবক  বেলাল ও আমজাদের সুসম্পর্ক ছিলো। সম্প্রতি অভিযুক্ত বেলাল আমির হোসেনকে মাদক কিনতে টাকা দেয়। আমির হোসেন মাদক কিনে দিতে গড়িমসি করে। এ নিয়ে গত শুক্রবার দিনের বেলায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ওই দিন রাতে আমির হোসেনকে ফোনে ডেকে নিয়ে বেলাল ও আমজাদ বেদম মারধর করে রাস্তার পাশে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। এতে আমির হোসেন গুরুতর আহত হয়।

খবর পেয়ে আমির হোসেন এর পরিবার তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ভূট্টু দালালের মেয়ে রহিমা বেগম জানান, তার ভাইকে মারধর করার ঘটনায় তার বাবা ভূট্টু অভিযুক্ত বেলাল, আমজাদ এবং সম্রাটকে গালিগালাজ করে। এর জের ধরে রাতের বেলা তার বাবাকে বাড়ির সামনের রাস্তার উপর একা পেয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সম্রাট, বেলাল ও আমজাদ গাঢাকা দিয়েছে। 
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ওসি ফখরুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, হত্যাকাণ্ডের সাথে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে নিহত ভুট্টুর ছেলেকে প্রতিপক্ষের লোকজন আগের দিন মেরেছিল। তবে বিষয়টি কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। স্থানীয়ভাবে মিমাংশার চেষ্টা করা হয়েছিল। ছেলেকে মারা বিষয়টি নিয়ে হয়তো ঘটনার সুত্রপাত। তবে এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে।