অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৫ই মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলার বাজারে পেঁয়াজ শূণ্য ক্রেতারা বিপাকে


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ই অক্টোবর ২০১৯ সন্ধ্যা ০৭:৫৮

remove_red_eye

৮১০

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক || ভোলার বাজারের ব্যবসায়ীরা গত ৩ দিন ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে না। যার ফলে বৃহসপতিবার ভোলার বাজার ছিলো পেঁয়াজ শূণ্য। পাইকারী আড়ৎতদারগন পেঁয়াজ আমনাদী ইচ্ছাকৃত ভাবে বন্ধ করে দেয়ায় ভোলার বাজারে এই কৃতিম সংকট দেয়া দিয়েছে। এতে করে সাধারন ক্রেতারা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে কাঁচামাল ব্যবসয়ীরা সিন্ডিকেট করে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তাদের কারনেই ভোলার বাজারে উচ্চ মূল্য দিয়ে ক্রেতাদের তরকরি ক্রয় করতে হয়।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার প্রধান তরকারি ও কাঁচামাল বিক্রির ভোলা খাল পাড়ের প্রধান আড়ৎ,চক বাজারে,নতুন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় সকল দোকানেই পেয়াজ নেই। অন্যান্য সকল ধরনের সবাজ আদা রসুন থাকলেও পেঁয়াজ নেই। সাধারন ক্রেতারা পিয়াজের জন্য খোঁজাখুজি করছে। অনেকে বেশী দাম হলেও পেয়াজ চাচ্ছে। কিন্তু কোথাও পেয়াজ পাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান,কম দামে কিনে, বেশি দামে বেঁচা ও মজুদ করার অপরাধে গত ৬ অক্টোবর ভোলার ভ্রাম্যমান আদালত প্রায় ৪ মেট্রিক টন পেঁয়াজ জব্দ করে এবং ভোলা চক বাজারের পাইকারী পাঁচ ব্যবসায়ীর জেল-জরিমানা ও তিনটি আড়তে সীলগালা করে দেন। পর দিন জব্দকৃত পেয়াজ ভোলার বাজারে ৪০ টাকা করে বিক্রি করে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয় ব্যবসায়ীরা। তার কারনেই গত ৩ দিন দিন ধরে বাজারে পেয়াজ আমদানী বন্ধ করে দিয়ে খুচড়া বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার ভোলার কাঁচা বাজারের পরিস্থিতি ছিলো পুরো বাজারে পেঁয়াজ শূণ্য ছিলো। পাইকারি বিক্রেতা সুলতান আহমেদ জানান, মোবাইল র্কোটের ভয়ে ব্যবসায়ীরা পেয়াজ আমদানী বন্ধ করেছে। তবে আজ থেকে তারা পেয়াজ আনবে। তিনি বরিশাল থেকে পোঁজ আমদানীর জন্য অর্ডার দিয়েছেন। ভোলা কাঁচামাল আড়ৎ সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম জানান, বরিশালের মোকামে পেয়াজের দাম ৭০/৭৫ টাকা। এ দামে কিনে খরচ গিয়ে ভোলার বাজারে আরো ৫ টাকা বেশি দামে পেয়াজ বিক্রি করতে হবে। কিন্তু বেশি দামে পেয়াজ বিক্রি করলে জরিমানা করে। প্রশাসন খোলা বাজারে ৪০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করায় তারা পেঁয়াজ আমদানী করেনি। ততে করে তাদের লোকসান হতো। তবে তাদের সাথে জেলা প্রশাসকের কথা হয়েছে। তারা শুক্রবার ভোলায় পেঁয়াজ আনবে এবং বিক্রি করবে। যে দামে আনবে তার চেয়ে ৫ টাকা বেশী দরে বিক্রি করবে বলে জানান।
ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, পেয়াজ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, তারা মোকাম থেকে পাইকারি যে দামে ক্রয় করবে তার চেয়ে ৫ টাকা বেশী দামে বিক্রি করবে। কিন্তু এর চাইতে বেশী দামে বিক্রি করতে পারবে না। এবং তাদের আমদানীকৃত ভাউচার সঠিক হতে হবে।