অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৩১শে জানুয়ারী ২০২৬ | ১৭ই মাঘ ১৪৩২


সাধারণ মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে: হাফিজ ইব্রাহিম


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০শে জানুয়ারী ২০২৬ রাত ১০:১৬

remove_red_eye

৪৯

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : বেশ জমে উঠেছে ভোলা-২ ( বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান) এর নির্বাচনী প্রচারণা।

প্রতিদিন দুপুর দুইটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভোলা-২ আসনের বিএনপি মনোনিত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। এসময় ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন গত ১৭ বছর মানুষের উপর অনেক অত্যাচার নির্যাতন হয়েছে। এখন সেই ফেসিস্টরা পালিয়েছে।

এখন নতুন করে মানুষ তাদের নেতা নির্বাচন করবে। ইনশাআল্লাহ মানুষ  তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। সাধারণ মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।  
হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, খুবই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার প্রচারণা চলছে। কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে হাফিজ ইব্রাহিম অভিযোগ করেন, তার প্রতিপক্ষের লোকজন আড়াইহাত লাঠির মাথায় পতাকা বেঁধে মিছিলে নামে। তারা স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা টানায় না অথচ এখন লাঠির মাথায় পতাকা নিয়া রাস্তায় নামে। তাদের উদ্দেশ্য ভাল নয়। 
বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম আরও বলেন, বিষয়টি তিনি প্রশাসনকে জানিয়েছেন। প্রশাসন পদক্ষেপ নিবে বলে আশা করছেন।
অপরদিকে হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, এই আসনে এর পূর্বে তিনি এমপি ছিলেন। তখন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। এসব উন্নয়ন এর চিত্র তুলে ধরে হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, প্রচারণা তিনি সাধারণ মানুষের ব্যপক সাড়া পাচ্ছেন। জয় লাভের ব্যপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি। 
হাফিজ ইব্রাহিম জানান, মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করবে। তখন তার নির্বাচনী এলাকা বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে কাজ করবেন। ভোলা বরিশাল সেতু নির্মাণ তার প্রধান দাবি। এছাড়া তার এলাকায় প্রাপ্ত খনিজ গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, কলকারখানা স্থাপন এবং প্রতিটি ঘরে আবাসিক গ্যাস সংযোগ দেওয়ার  ব্যপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। 
হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, তিনি যখন এমপি ছিলেন তখন নদী ভাঙন রোধে ক্লকবাঁধ করেছেন, অসংখ্য  স্কুল কলেজ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন।  চারশত কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ করেছিলেন। এলাকায় শতশত ব্রিজ কালভার্টে করেছেন। তার নির্বাচনী এলাকার কোথাও কোন সাঁকো ছিলনা সব ব্রিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, মেঘনা এবং তেতুলিয়া নদীতে জেগে ওঠা চরগুলো ভূমিদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করে প্রকৃত ভূমি মালিকদেরকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। প্রকৃত ভূমিহীনদেরকে খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ বলতে কিছু থাকবে না। তিনি বলেন বিএনপি ক্ষমতায় এলে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে। 
এসময় তার সাথে বিএনপি নেতা এবং তার নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী আকবর হোসেন,  বোরহানউদ্দিন বিএনপির সভাপতি মাফরোজা সুলতানা, ওলামাদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।