অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারী ২০২৬ | ৭ই মাঘ ১৪৩২


বাংলাদেশ যেন ফের ফ্যাসিবাদের পরিচিতি না পায়: মঈন খান


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ই ডিসেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যা ০৬:৩৭

remove_red_eye

৭৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, মানুষকে ধোঁকা দিয়ে কাজ হবে না। আমরা আবারও ফ্যাসিবাদী দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হতে চাই না। অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়ে যাবো। একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ২০৫০ সালে ঢাকা শহর হবে সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ বৃহত্তম শহর। তবে সেই শহরকে আমরা কীভাবে পরিচালনা করবো সেটি ভাবার বিষয়। আমরা অর্থনৈতিকভাবে এখনো শক্তিশালী না হলেও ইনফরমাল ইকোনমি দিয়ে ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে আছি। ভবিষ্যতে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন তাদের এসব বিষয়ে কাজ করতে হবে। যে কাজ মাত্র সাড়ে তিন বছরে করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশ সেবার পরিবর্তে আত্মসেবা শুরু করেছিল। যাকে অলিগার্কি ব্যবস্থা বলা যায়। তারা মূলত সমাজের ধনী লোকদের দিয়ে অলিগার্ক কায়েম করেছিল। ফলে দরিদ্র মানুষ আরও দরিদ্র হয়েছেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে এসেও গণতন্ত্র খুঁজে ফিরি। এই গণতন্ত্রের জন্য তো একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছিল। দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক অধিকার তথা মুক্তির জন্য তো মানুষ যুদ্ধ করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, যারা অতীতে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমানে দিচ্ছেন তাদের এজন্য জবাবদিহি করতে হবে তারা কেনো ব্যর্থ? আগামীতে যারা নেতৃত্ব দেবেন তাদের সেই প্রতিশ্রুতি বা আশার কথা বলবেন যে তারা ক্ষমতায় গেলে এসবের সমাধান করবেন।

তিনি বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের জন্য অবিরাম যুদ্ধ চলছে। মনে হয় চিরন্তন সংগ্রাম। আজকে অন্তর্বর্তী সরকার বলছে তারা সংস্কারের মাধ্যমে দেশকে স্বাপ্নিক দেশে পরিণত করবে। তবে সংস্কার হলো চলমান প্রক্রিয়া। এটা থেমে থাকেনি। সংস্কারের মধ্য দিয়েই কিন্তু আমরা একবিংশ শতাব্দীতে এসে পৌঁছেছি।

মঈন খান বলেন, আমরা সার বছর ধরে দিবসগুলো পালন করছি। কিন্তু অর্জন কী? ৫৪ বছরে আমাদের অর্জন কী? আমি বিশ্বাস করি আমাদের চিন্তা ধারার পরিবর্তন আনতে হবে। মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রথমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সেটা না পারলে এত কিছু করে কী লাভ? মানুষের কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে কিন্তু কথা না বলে থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে যখনই কোনো স্বৈরশাসক দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে তখনই কিন্তু বিদ্রোহ হয়েছে। প্রতিবার প্রতিবাদ করেছে। আজকে আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা হলো নিষ্ঠুর। কারণ মানুষের অনুভূতিরে ভোঁতা করে দেয়। মানুষকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তাদের সে বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আওয়ামী লীগে কোনো মুক্তিযোদ্ধা নেই। তারা মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে শুনে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে। তারা মুক্তিযুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এর মধ্যে তার দেড় যুগের নির্বাসনের অবসান ঘটবে এবং দেশের সকল মানুষের আগ্রহেরও অবসান ঘটবে।

তিনি জামায়াতের রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন, আপনাদের কোন আচরণ কখন প্রকাশ পায় তা বলা যাবে না। যদি ডাকসু আর দুই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিতে সারাদেশে জেতা যেত তাহলে তো বহু আগেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন মাহমুদুর রহমান মান্না, রুহুল কবির রিজভী, নুরুল হক নুরু। তারাও তো ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।

ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে ও কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. আবুল কেনান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ডা. খালেকুজ্জামান দীপু, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সিরাজুল ইসলাম।

 





জলবায়ু পরিবর্তন ও চরাঞ্চলে চাষাবাদের কারণে কমছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তন ও চরাঞ্চলে চাষাবাদের কারণে কমছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা

তারুয়া দ্বীপে মায়াবী হাতছানি : পর্যটন সুবিধা পেলে বদলে যেতে পারে দক্ষিণের অর্থনৈতিক চিত্র

তারুয়া দ্বীপে মায়াবী হাতছানি : পর্যটন সুবিধা পেলে বদলে যেতে পারে দক্ষিণের অর্থনৈতিক চিত্র

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ভোলা গড়ে তুলবো : আন্দালিভ রহমান পার্থ

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ভোলা গড়ে তুলবো : আন্দালিভ রহমান পার্থ

জামায়াতের উচ্চাভিলাসের কারণে এক বক্স নীতি ভেস্তে যেতে বসেছে : মাওলানা ওবায়েদ

জামায়াতের উচ্চাভিলাসের কারণে এক বক্স নীতি ভেস্তে যেতে বসেছে : মাওলানা ওবায়েদ

লালমোহনে ভাঙারি গুদামে আগুন ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

লালমোহনে ভাঙারি গুদামে আগুন ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

ভোলায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের মতবিনিময় সভা

ভোলায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের মতবিনিময় সভা

চরফ্যাশনে বসতঘর ও  ব্যবসা  প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ॥ গ্রেফতার-২

চরফ্যাশনে বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ॥ গ্রেফতার-২

গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

ভোটের মাঠে কে থাকছেন কে সরছেন, জানা যাবে মঙ্গলবার

ভোটের মাঠে কে থাকছেন কে সরছেন, জানা যাবে মঙ্গলবার

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

আরও...