অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৫ই মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় কন্যা শিশু দিবসে কন্যা শিশু সমাবেশ ও আলোচনা সভায়


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ই অক্টোবর ২০১৯ সন্ধ্যা ০৭:৫০

remove_red_eye

১০৩৩

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক || “কন্যা শিশুর অগ্রযাত্রা – দেশের জন্য নতুন মাত্রা” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ভোলায় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে কন্যা শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ভোলা ও জেলা শিশু একাডেমির আয়োজনে ভোলা জেলা প্রশাসন এর সভা কক্ষে আমার কথা শোন- ছোটরা বলবে বড়রা শুনবে শিরোনামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভোলা জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লেডিস ক্লাবের সভাপতি হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক সাহেলা সোহানী।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কন্যা শিশু হয়ে জন্মগ্রহন করে নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে নিজেদের সফল হওয়ার পিছনের গল্প শোনান, ভোলা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর পারভীন আখতার, এরব স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাফিয়া খাতুন।
এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আখতার হোসেন। বক্তব্য রাখেন, তরুন সাংবাদিক সংগঠক আদিল হোসেন।
কন্যা শিশু দিবসে কন্যাদের মধ্যে বক্তব্য দেন, জেলা এনসিএফ সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস মিম, জান্নাতুল নেসা আইরিন। এসময় মশিউর রহমান পিংকুর উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন,সাংবাদিক ও সংগঠক গোপাল চন্দ্র দে, এনসিটিএফ ভোলা জেলার জেলা সমন্ময়কারী সাদ্দাম হোসেন সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী।
এসময় অতিথিরা বক্তব্যে বলেন, পবিত্র কোরআনে লেখা হয়েছে যে ঘরে কন্যা সন্তান থাকবে সে ঘরে ততটা জান্নাত থাকবে। কন্যা শিশুরা ঘর আলোকিত করে। কন্যাদের বোঝা ভাবলে চলবে না তারা ছেলেদের থেকে কম নয়। তারা বোঝা নয় বরং সম্পদ। যারা সুযোগ পেয়েছে উচ্চ শিক্ষার নিজের ভবিষ্যত তৈরী করার দেখ সবাই ভালো অবস্থানে আসীন। আজ আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী,স্পীকার নারী। আমাদের দেশ নারীর হাতে তাই এতো দ্রæত অগ্রগতি করতে পেরেছে। জনসংখ্যার অর্ধেক নারী যদি আমরা ১৬ কোটি হাত কে পেছনে ফেলে এগুতে চাই তবে কী আমরা পারবো উন্নত দেশ হতে? পারবো না। জনসংখ্যার অর্ধেককে অন্ধকারে রেখে কোন জাতি এগুতে পারবে না বরং তাদের সাথে নিয়ে তাদেরও সম্পদ হিসাবে তৈরী করলে আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সফল হবো।
এসময় যেই ব্যাক্তিরা নিজের সন্তানের দেখ ভালের জন্য অন্য একটি শিশু নিয়ে আসেন সেই সকল অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা আপনার নিজের সন্তানের মতো তাদেরও শিক্ষার সুযোগ দিন। তারাও শিশু তারও অধিকার রয়েছে কেন বৈষম্য করছেন।