অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ২রা অক্টোবর ২০২০ | ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭


ভোলায় প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন, অতঃপর নাটকীয় বিয়ে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ই আগস্ট ২০২০ রাত ১০:৩২

remove_red_eye

১৯০



আকতারুল ইসলাম আকাশ : বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তিনদিন অনশন শেষে নানান নাটকীয়তার পরে অবশেষে সেই প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন প্রেমিক পুলিশ সদস্য। ঘটনাটি ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের চর আনন্দ গ্রামে। প্রেমিক ওই গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে পুলিশ সদস্য আকরাম (২৪) হোসেন এবং প্রেমিকা একই ইউনিয়নের চর আনন্দ পার্ট-৩ গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে শারমিন আক্তার (১৭)।
প্রেমিকা শারমিনের দাবি, গত ৫ বছর ধরে বিয়ের কথা বলে তার সাথে জাহাঙ্গীরের ছেলে ঝালকাঠি জেলায় কর্মরত পুলিশ সদস্য আকরাম প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। এ ঘটনা জানাজানি হলে এক পর্যায়ে স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানদের সাহায্যে তাদের বিয়ের বিষয়ে লিখিত চুক্তি হয়। কিন্তু এখন ওই পুলিশ সদস্য (আকরাম) তাকে বিয়ে করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে শারমিন ওই পুলিশ সদস্যের বাড়িতে তিনদিন ধরে অনশন করছেন। বিয়ে না করলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে জানান।
এদিকে লিখিত চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদস্য আকরামের বড় বোন জানান, শারমিনের বাড়ির পাশে আকরাম তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে গেলে শারমিনের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বারেক মেম্বার, কামাল মেম্বার এবং হাছান চেয়ারম্যান জোড় করে তাদেরকে বিয়ের চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করায়।
তবে এবিষয়ে অভিযুক্ত স্থানীয় ইউপি সদস্য বারেক ও কামালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।
তবে আকরামের পরিবারের অভিযোগ স্থানীয় ইউপি সদস্যেদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আকরাম শারমিনকে বিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ইউপি সদস্য কামালের উপস্থিতিতে চর আনন্দ গ্রামে সরদার বাড়িতে ৪ লক্ষ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়েছে বলে জানান, স্থানীয় কাজী সিফাত রহমান।    
এবিষয়ে ওই ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান হাছনাইন আহমেদ হাছানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।