অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৫ই মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ ১৪৩৩


নিষেধাজ্ঞার তৃতীয় দিনে ভোলায় ২৫ জেলের জেল-জরিমানা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ই অক্টোবর ২০১৯ রাত ০৮:০৩

remove_red_eye

৮৪১

জুয়েল সাহা বিকাশ || ভোলা সদর , তজুমদ্দিন, মনপুরা ও চরফ্যাশনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা-তেতুঁলিয়া নদীতে মা ইলি শিকার ও বিক্রি করার সময় ২৬ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ২৩০ কেজি মা ইলিশ, ২২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩ টি ট্রলার জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত এ চার উপজেলার মেঘনা ও তেতুঁলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত জেলেদের পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২৩ জনের এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড, ২ জনের ৫ হাজার হাজার ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা এবং একজনের বয়স কম হওয়ায় তাকে খালাস প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ কামাল হোসেন, তজুমদ্দিনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম, মনপুরায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির আহমেদ ও চরফ্যাশনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন।
দন্ডপ্রাপ্ত হলেন, ভোলার সদর উপজেলার মোঃ আব্বাস (২৭), সাগর (২০), মহসীন (৩৫)। তজমুদ্দিন উপজেলার জাকির (৩০), করিম (৩০), আকবর (৩২), শাহিন (২৪), মঈনউদ্দিন (১৯), ফিরোজ (২৬), শরিফ (২০), নোমান (১৮) ও রাজিব (১২)। মনপুরা উপজেলার রাশেদ (৩০), সাহাবুদ্দিন (২৯), বশির (৩০), হাবিবুল্লাহ (২৪), সেলিম (৩০), হাসনাইন (৩০), রিপন (২০), আজাদ (২৮) ও চরফ্যাশন উপজেলার আমিন হোসেন (৪৫), জসিম (৩০), রাকিব (২১), কাশেম (২৪), আব্দুল মফিজ (৩৫)।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করায় ভোলা সদরের মেঘনা নদীতে থেকে ৩ জন, তজমুদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদী থেকে ৯ জন, মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদী থেকে ৯ জন ও মা ইলিশ শিকার করে বিক্রি করার সময় চরফ্যাশন উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর র্তীরবর্তী মায়া ব্রিজ এলাকা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করে কারাদন্ড ও জরিমনা করা হয়। তিনি আরো জানান, জব্দকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয় এবং জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়।