অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫ই আশ্বিন ১৪২৭


ভোলার ইলিশায় কোরবানির পশুর হাটে কিছুটা বেড়েছে বিক্রি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩শে জুলাই ২০২০ রাত ০৯:৩৮

remove_red_eye

১৫৬



আকতারুল ইসলাম আকাশ : ভোলার ইলিশা গরু হাটে কিছুটা বেচা বিক্রি বেড়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি বেপারীরা গরু কিনতে শুরু করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ছোট গরুর চাহিদা বেশি বলে জানান ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে হতাশ প্রকাশ করছেন বিক্রিতারা।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, সাধারণত ক্রেতাদের পাশাপাশি বেপারীরাও গরু ক্রয়-বিক্রয় করতে শুরু করেছেন। অনেক ক্রেতাই হাটে ছোটাছুটি করে নিজের সাধ্যমতো কিনছেন গরু। তবে বড় গরু বেচাকেনা হতে তেমন একটা দেখা যায়নি। যদিও প্রতিবছর ঈদুল আজহা এলেই বড় গরু কিনতে দেখা গেছে অনেকই। তবে এবার করোনা ভাইরাসের কারণে মানুষ আয় উপার্জনের কথা চিন্তা করে নিজের সাধ্যমতো ছোট গরুর প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। তবে দাম কম বলায় লোকসানের সম্মুখীন হতে পারেন বলে জানান বিক্রেতারা।  হাটে গরু নিয়ে আসা বিক্রয়তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে মানুষের আয় উপার্জন বন্ধ হাওয়ায় নিজেদের সাধ্যমতো বেশির ভাগ ক্রেতাই ছোট গরু কিনছেন।দু'একজন ছাড়া বড় গরু তেমন কেউই কিনছেন না। তবে বিক্রেতারা জানান, হাটে ছোট গরুর চাহিদা বেশি থাকলেও তার ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এতে হতাশ প্রকাশ করেন তারা । হাটে গরু নিয়ে আসা বিক্রেতা ফরিদুল ইসলাম বলেন, গত কোরবানির ঈদে তিনি লাল রংয়ের দুইটি ষাঁড় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কিনেছেন। তবে আজকের হাটে তার সেই দুটি গরু মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বলছেন ক্রেতারা।
শাহাজাহান নামের আরেক বিক্রেতা জানান, তিনি প্রায় ৮ মাস আগে ৯০ হাজার টাকায় একটি গরু কিনেন। তবে আজকের বাজারে সেটি মাত্র ৭০ হাজার টাকা বলছে ক্রেতারা।
বাজার ঘুরে কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, দেশে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে মানুষের আয় উপার্জন বন্ধ থাকায় বড় গরুর প্রতি চাহিদা নেই তাদের। তবে ছোট গরুর দাম চাহিদার মধ্যে হলে তা ক্রয় করছেন তারা।
হাটের ইজারাদার মো. বশির আহমেদ বলেন, আজকের হাটে কিছুটা বেচাকেনা হচ্ছে। তবে বড় গরু কেউই কিনছেন না। সবাই ছোট গরু কিনছেন। তবে ক্রেতারা ছোট গরুর দাম কম বলায় হতাশ বিক্রয়তারা। তবে তিনি ধারণা করছেন, ঈদের আগের হাটে বড় গরু বেচাকেনা কিছুটা বাড়তে পারে।