অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩


৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ই জুলাই ২০২৫ সন্ধ্যা ০৬:৩২

remove_red_eye

৩৩০

পুনর্নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৪৬তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট এবং পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ১০ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

এই পরীক্ষা ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা।

 

পরীক্ষা হলে বই-পুস্তক, সকল প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, সায়েন্টিফিক/প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

পরীক্ষা হলের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে হবে।

পরীক্ষার দিন বর্ণিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সকল প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোন ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার হলে কোনো প্রার্থীর কাছে নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪-এর বিধি ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।  

এ ছাড়া, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ এর ধারা-১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ অনুযায়ী কোনো অপরাধ সংঘটন করলে বা সংঘটনে সহায়তা করলে, তিনি যে ধারার অধীন অপরাধ সংঘটন করবেন বা সংঘটনে সহায়তা করবেন, সে ধারায় বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

প্রার্থীদের পরীক্ষা হলে উপস্থিতি

পরীক্ষা হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার লক্ষ্যে হাজিরা তালিকায় প্রার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর জোড় ও বিজোড়ে বিন্যস্ত করে এবং প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর কক্ষওয়ারি দৈবচয়ন ভিত্তিতে সাজিয়ে হাজিরা তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।  

দৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় নিজ আসন এবং কক্ষ চিহ্নিত করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিজ আসন এবং কক্ষ চিহ্নিত করার জন্য প্রার্থীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

লিখিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট আগে প্রার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে হবে অর্থাৎ সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের পর কোনো প্রার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি প্রবেশপত্রে এবং পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।  

সুষ্ঠুভাবে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠান এবং হলের সুশৃঙ্খল পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে কমিশনের পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পরীক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।