অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে ৪টি ড্রেজার জব্দ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ই জুলাই ২০২৫ রাত ১০:৩৪

remove_red_eye

২৩৮

দুই জনকে এক লাখ টাকা জরিমানা

বিশেষ প্রতিবেদক : ভোলায় অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি ও বালু কেটে নিচ্ছে বালু ব্যবসায়ী ড্রেজার(খননযন্ত্র) চক্র। জমির মালিকরা ভোলা জেলা প্রশাসকের কাছে এমন অভিযোগ করলে নির্বাহী হাকিম(ম্যাজিস্ট্রেট) অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে ৪টি ড্রেজার(খননযন্ত্র) হাতেনাতে জব্দ করেছে। অভিযানের সময় সবাই পালিয়ে গেলেও দুজনকে আটক করে নির্বাহী হাকিম(ম্যাজিস্ট্রেট) ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দিয়েছেন এবং খননযন্ত্রগুলো পুলিশের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ভোলার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মো. আরিফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খননযন্ত্রের মালিক বৈধ কাগজপত্র দেখালে সেগুলো ফেরত পাবে। ইউএনও আরও বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলণ বন্ধে তাঁদের অভিযোন চলবে। ভোলা জেলা প্রশাসন সূত্র ও জমির মালিক পক্ষের প্রতিনিধি এমএ বারেক জানান, তেঁতলিয়া নদীর মধ্যে চর জেগে উঠলে সরকার ২০০১ সালে কৃষকদেরকে এসব জমি বন্দোবস্ত দেন। চরাঞ্চলের এসব জমিতে কয়েকশ কৃষক নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছেন। রবি মৌসুমে তাঁরা এসব চরে তরমুজ এবং বর্ষায় আমন আবাদ হচ্ছে। কিন্তু গত কয়েক বছর বালু ব্যবসায়ীরা সম্পুর্ণ অবৈধভাবে দিনে রাতে বালু খনন করে কৃষি জমি নষ্ট করে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করছে। জমির মালিকরা গত বৃহষ্পতিবার ভোলা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে নির্বাহী হাকিম সহকারী ভূমি কমিশনার (এ্যাসিল্যান্ড) অমিত দত্ত পুলিশ নিয়ে শনিবার অভিযান চালান। ভোলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের পাতারচর সংলগ্ন এলাকার তেতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বালু কাটার সময় শামিম মাতব্বরের একটি, মো. হারুন গাজীর একটি, মো. ফারুক মোল্লার একটি এবং ইউসুফ ভূঁইয়ার একটিসহ মোট চারটি খননযন্ত্র জব্দ করে পুলিশের জিম্মায় রাখা হয়। এবং আটককৃত আব্দুল গফ্ফারের ছেলে মো. সুজন(৩৫) ও আমজাদ মাঝির ছেলে মো. ছোটনকে(২৫) ভ্রাম্যমান আদালতে বসিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। এমএ বারেক আরও বলেন, প্রায় ১৫টি খননযন্ত্র দিয়ে বালুখেকো চক্রটি দিনরাত বালু তুলে কৃষি জমি নষ্ট করছে। এ খনন যন্ত্রগুলো ছাড়লে তারা আবার বালু কাটতে ছুটে যাবে।