অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩


লালমোহনে মামলা তুলে নিতে বিবাধীকে হুমকির অভিযোগ


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ই জুন ২০২৫ রাত ১০:২৯

remove_red_eye

১৮৯

লালমোহন প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে জমিজমা বিরোধের জের ধরে মারপিট করার কারণে প্রতিপক্ষের বিরুদ্দে মামলা করে বিপাকে পরেছেন বাদী মো. রতন মোল্লা। ঘটনাটি উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড চরকচ্চপিয়া এলাকার। গত ৩০ মে শুক্রবার রাতে স্থানীয় নাজিরপুর বাজারের ভাই ভাই হোটেলের মেধ্যে মামলার আসামী রহমান মৃধা, সাখাওয়াত মৃধা, বশার মোসলমান, জুয়েল মৃধা, মামুন মৃধা, কামাল চৌকিদার, সিদ্দিক চৌকিদার, আবুল কালাম আজাদ, এরশাদ মৃধাসহ জোটবদ্ধ হয়ে অন্যান্য অসামীরা এসে মামলার বাদী রতন মোল্লাকে হুমকি ধামকি ও মেরে ফেলার জন্য প্রকাশ্যে ভয়ভীতি ও মামলা উত্তোলন না করলে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে। হুমকির ঘটনায় রতন মোল্লা গত ৯ জুন লালমোহন থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন। যার নম্বর ৪০৪।      
মামলার বাদী রতন মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, গত ২৫ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে জমিজমা নিয়ে পাশ্ববর্তী এলাকার শাখাওয়াত মৃধাগংরা আমাদের জমি জোরপূর্বক দখল করতে আসে। আমরা বাধা দিলে তারা একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। এতে আমাদের ৮-১০জন গুরুতর আহত হয়। তখন আহতরা লালমোহন হাসপাতাল ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করে সুস্থ হয়। এরপর তারা সালিশ বিচারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার জন্য আমাদেরকে প্রস্তাব দিলে আমরা রাজি হই। কিন্তু তারা সমাধানে বসবে বসবে বলে আর বসেনি। তখন আমি ন্যায় বিচারের স্বার্থে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে ভোলার লালমোহন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আট জনের নামে মামলা করি। মামলা করার পর আদালত থেকে লালমোহন থানায় মামলা করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলা করার পর থেকে মামলা উত্তোলন করার জন্য শাখাওয়াত মৃধাগংরা প্রায় প্রতিদিনই আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে। এরপর গত ৩০ মে শুক্রবার রাতে স্থানীয় নাজিরপুর বাজারের ভাই ভাই হোটেলে আসামীরা প্রকাশ্যে ভয়ভীতি ও মামলা উত্তোলন না করলে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে। এই ঘটনায় আমি লালমোহন থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যে কোনো সময় আসামীরা আমার বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। আমি উক্ত ঘটনায় ন্যায় বিচারের প্রত্যাশী।