অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা কর্ম পরিষদ শিক্ষা শিক্ষা শিবির


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ই জুন ২০২৫ রাত ১০:১৯

remove_red_eye

২০৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো জামায়াতের উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্যদের নিয়ে কর্ম পরিষদ শিক্ষা শিবির ২০২৫। আজ শনিবার (১৪ জুন) ভোলা জেলা জামায়াত অফিস অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এই শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
 ভোলা জেলা সেক্রেটারি কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওঃ হারুন অর রশিদের সঞ্চালনায় ভোলা জেলা আমির মোঃ জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই শিক্ষা শিবিরে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুর রব। বিশেষ প্রশিক্ষক ছিলেন, ড. সামিউল হক ফারুকী কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য,এ কে এম ফখরুদ্দিন খান রাজী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরাহ সদস্য ও বরিশাল বিভাগীয় টিম সদস্য।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ভোলা ১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মাওঃ নজরুল ইসলাম , ভোলা ২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি মাওঃ ফজলুল করিম।
শিক্ষা শিবিরের উদ্বোধনী বক্তব্যে, ভোলা জেলা জামায়াতের আমির কেন্দ্রীয় মজলিসের সূরা সদস্য মাস্টার মোঃ জাকির হোসাইন বলেন, “দেশ ও জাতির কল্যাণে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিটি সদস্যকে যোগ্য ও দক্ষ  আদর্শিক ও মানবিক হওয়ার  বিকল্প নেই।  আজকের এই শিক্ষা শিবির সেই লক্ষ্য পূরণেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”
শিক্ষা শিবিরের মূল লক্ষ্য ছিল সংগঠনকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করে তোলা। সদস্যদের আদর্শিক, মানবিক ও সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্ব পালনে কোরআন- সুন্নাহ ভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান।
শিবিরে কোরআন-হাদীস ভিত্তিক আদর্শিক আলোচনা, সাংগঠনিক কাঠামো ও দায়িত্ব, জনসম্পৃক্ততা, কার্যকর নেতৃত্ব, এবং সময় উপযোগী সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে বিভিন্ন অধিবেশন পরিচালনা করা হয়। 
শিক্ষা শিবিরে অংশগ্রহণকারী ডেলিগেটগণ বলেন, “এই ধরনের প্রশিক্ষণ আমাদের আদর্শিক ও মানবিক গুণাবলীতে উজ্জ্বিবিত করে সাংগঠনিক ও আদর্শিক দায়িত্ব পালনে শক্তি যোগাবে। ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে এ ধরণের আয়োজন হোক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”শিক্ষা শিবিরে ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলার কর্ম পরিষদ ও শুরাহ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।