অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩


মঙ্গলবার রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬শে মে ২০২৫ সন্ধ্যা ০৬:৩১

remove_red_eye

১৪৫

নিক্কেই ফোরামের ‘ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চারদিনের সফরে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৭ মে) দিনগত রাতে টোকিওর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

আগামী ২৯ ও ৩০ মে জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্মেলন ‘নিক্কেই এশিয়া কনফারেন্স-২০২৫’। এ সম্মেলনে বিশেষ বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন ড. ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টা নিক্কেই ফোরামের ‘ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। সফরকালে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।

নিক্কেই ইনকরপোরেটেড আয়োজিত এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তিবিদ এবং করপোরেট নেতারা অংশ নেবেন।

সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও জাপানের প্রধানমন্ত্রী, লাওসের প্রেসিডেন্ট, পালাও'য়ের প্রেসিডেন্ট, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, সিঙ্গাপুরের উপ-প্রধানমন্ত্রী, ভিয়েতনামের উপ-প্রধানমন্ত্রী, ফিলিপাইনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি, থাইল্যান্ডের ফরেন অ্যাফেয়ার্স মিনিস্টার, মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বব্যাংকের ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনের সাবেক ভাইস মিনিস্টার অব ফিন্যান্স, ক্লাইমেট ওয়ার্ক সেন্টারের সিইও, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের ম্যানেজিং এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তাসহ আরও অনেকে অংশ নেবেন।

 

এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘টেকসই এশিয়ার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন’। যেখানে প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, সামাজিক ব্যবসা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের নতুন কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে।

নিক্কেই এশিয়া সম্মেলন (নিক্কেই ফোরাম: ফিউচার অব এশিয়া) প্রতিবছর জাপানের প্রভাবশালী অর্থনৈতিক দৈনিক নিক্কেই কর্তৃক আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। যেখানে এশিয়াসহ বিশ্বের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা বৈশ্বিক অর্থনীতি, ভূ-রাজনীতি, প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন। ১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া এ সম্মেলনটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ নামেও পরিচিত।