অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৯শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩


লালমোহনে মামা শ্বশুরবাড়ি ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর আহত-২


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬ই মে ২০২৫ রাত ১১:৪১

remove_red_eye

২৪১

লালমোহন প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে বিচার ফায়সালার কথা বলে ডেকে নিয়ে মেয়ের জামাই ও মেয়ের শ্বশুরকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (৫ মে) বিকালে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের আসলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার বিকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান আহত (জামাই) মো.সুমন। এঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তারা। স্থানীয় ও আহতের সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আবুগঞ্জ এলাকার মো. রত্তন মাঝির ছেলে মো. সুমন এবং একই ইউনিয়নের আসলী এলাকার দেলোয়ারের মেয়ে আকলিমা বেগমের সাথে শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের ঘরে জন্ম হয় দুটি সন্তানের। এবিষয়ে ভুক্তভোগী মো. সুমন জানান, আমার শ্বশুর জমি কেনার জন্য আমার কাছ থেকে ছয়লক্ষ টাকা নিয়েছেন। এখন টাকা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন অজুহাত দিতেন। একপর্যায়ে আমার স্ত্রীকে ভুলিয়ে ভালিয়ে আমার বাড়ি থেকে তাদের বাড়ি নিয়ে যান। তার পর আমি কল করলে আমাকে আমার পরিবারের লোকজন নিয়ে তাদের বাড়ি যেতে বলেন এ বিষয়ে ফায়সালা করে দিবেন বলে। ফায়সালা করতে বসে একপর্যায়ে আমাদের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। তখন আমরা চলে আসতে চাইলে আমাদেরকে পিছন থেকে ধরে আমার শ্বশুর দেলোয়ার ও আমার শ্বাশুড়ি, শালা, স্ত্রী আমাদেরকে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে আমাকে, আমার বাবা ও ভাইকে। এতে আমি, আমার বাবা গুরুতর আহত হই আমার ভাইয়ের জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে এবং আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। সুমনের বাবা রত্তন মাঝি জানান, আমার ছেলের শ্বশুর আমাদেরকে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে আমাদের সাথে থাকা সব কিছু ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায় বিচার দাবি করছেন। শালিশকারী মো. নবী মেম্বার জানান, জামাইয়ের সাথে হাতাহাতি হয়েছে এটা সত্যি, তবে বাবার গায়ে কেহ হাত দেয়নি। এবিষয়ে অভিযুক্ত মো. দেলোয়ার মোল্লাকে না-পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। লালমোহন থানার ওসি তদন্ত মো. মাসুদ হাওলাদার জানান, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।