অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৯শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ই বৈশাখ ১৪৩৩


লালমোহনে জোরপূর্বক পুকুর থেকে মাছ ধরার অভিযোগ


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫ই এপ্রিল ২০২৫ সন্ধ্যা ০৬:৪৭

remove_red_eye

২৩৫

আকবর জুয়েল,লালমোহন: ভোলার লালমোহনে জোরপূর্বক ভাবে জবরদখল করে পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। (মঙ্গলবার ১এপ্রিল) বিকালে উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের চাঁন মিয়া দালাল বাড়ীতে এঘটনা ঘটে। এবিষয়ে ওই বাড়ীর আমিন মিয়ার ছেলে ভুক্তভোগী ছালাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন,ঈদুল ফিতরের ২য় দিন (১লা এপ্রিল)আমরা আমাদের আত্বীয়দের বাসায় বেড়াতে গেলে সুযোগ বুঝে আমাদের পুকুর থেকে সোনা মিয়া ডাক্তারের ছেলে রুহুল আমিন মেকার ও আ: বারেকের ছেলে মান্নান দালালের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে তড়িগড়ি করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়।মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারা আমাদেরকে বেধরক গাল মন্দ করে এবং হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।এবং আরো বলে আমরা মাছ ধরেছি আরো ধরবো পাড়লে তোরা কিছু করিস। ভুক্তভোগী ছালাউদ্দিন গংরা আরো জানান,কুমারখালী মৌজার এসএ ২৪৮ খতিয়ানে ও ডিপি ৫১ খতিয়ানে আমরা দালীলিক ও ওয়ারিশ হিসেবে জমির মালিক রয়েছি,এই জমির ১১ শতাংশে পুকুর রয়েছে তারা আমাদের এই পুকুর জোরপূর্বক দখল করছে।এবং আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিচ্ছে।ভূমিদস্যু রুহুল আমিন মেকার ও মান্নান দালালরা এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করায় তারা কাহারো কোন কথা শুনছেনা এবং এলাকার কোন বিচার ফয়সালাও মানছেনা।তাদের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে বাঁচতে আমরা আপনাদের মাধ্যমে সুস্থ্য বিচারের দাবি জানাচ্ছে। এবিষয়ে অভিযুক্ত, মান্নান দালালের নিকট জানতে চাইলে তিনি মাছ ধরার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,পুকুরের পানি কমে যাওয়ার কারনে মাছ ধরেছি। লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো:সিরাজুল ইসলাম বলেন,এঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হব।