অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৯শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ই বৈশাখ ১৪৩৩


ঈদ উপলক্ষে মেঘনাপাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২রা এপ্রিল ২০২৫ বিকাল ০৫:৪০

remove_red_eye

২৬২

আকবর জুয়েল, লালমোহন: দেশজুড়ে বইছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আমেজ। এই ঈদ আনন্দ মাতোয়ারা মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। ঈদের আনন্দ আরো রাঙিয়ে তুলতে অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটছেন বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো পর্যটন কেন্দ্র না থাকলেও উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী। ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয়  দিনেও দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছে উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর। দুপুর থেকে সন্ধ্যার পর পর্যন্ত এখানে থাকবে দর্শনার্থীদের সমাগম।
এখানে কেউ স্ত্রী-সন্তান, কেউ আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে নদীর শীতল হাওয়ায় মনজুড়াতে এবং ঢেউ উপভোগ করতে ছুটছেন মেঘনা নদীর পাড়ে। আবার কেউ কেউ সেখানে গিয়ে ট্রলার ভাড়া করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মেঘনার বুকে। এসব দর্শনার্থীদেরকে ঘিরে মেঘনা পাড়ে বসেছে ভ্রাম্যমাণ বিভিন্ন দোকান। এই দোকানগুলোতেও বেচাকেনা জমজমাট। সন্তোষজনক বিক্রিতে খুশি দোকানিরাও।
মেঘনা নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়া এমনই এক দর্শনার্থী মো. আহসান উল্যাহ জানান, আমি ঢাকার একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি। ঈদের পর দিন স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মেঘনা নদীর পাড়ে ঘুরতে এসেছি। নদীর মনোরম পরিবেশে এখানে কিছুটা স্বস্তি মিলছে। তবে এই মেঘনা পাড়ের সৌন্দর্য বর্ধন করা হলে আরও ভালো লাগবে।


জিন্নাত আরা হাফসা নামে আরেক দর্শনার্থী বলেন, ঈদের দিন বাড়িতেই ছিলাম। আজ কয়েকজন বান্ধবী মিলে নদীর পাড়ে ঘুরতে এসেছি। নদীর পাড়ের শীতল বাতাস ও ঢেউ দেখে ভালোই লেগেছে। এমন মনোরম পরিবেশে এসে নিজেদের কাছে অনেকটা প্রশান্তি মিলেছে।
আলী আকবর নামে এক দর্শনার্থী বলেন, ঈদের ছুটি চলছে। তাই অবসর সময় কাটাতে বন্ধুদের নিয়ে এই নদীর পাড়ে এসেছি। আমাদের মতো এখানে অনেকেই পরিবার-পরিজনদের নিয়ে এই মেঘনা নদীর পাড়ে ঘুরতে এসেছেন। তবে লালমোহনের মতো একটা উপজেলায় ভালো কোনো পর্যটন কেন্দ্র নেই। আমি এই উপজেলার বাসিন্দা হিসেবে দাবি করবো; জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেন এই উপজেলাতে কিছু পর্যটন স্পট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। তাহলে এখানের মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অবসর সময় কাটাতে পারবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদের শুরু থেকেই আমাদের পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। মানুষজনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আমরা সচেষ্ট রয়েছি। দেখা গেছে, ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে অনেকে দর্শনার্থী বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় ঘুরতে যাচ্ছেন। আমাদের পুলিশ সদস্যরা সেসব দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন।