অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় তারুণ্যনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯শে নভেম্বর ২০২৪ রাত ১০:০০

remove_red_eye

৩৯৩

ইসতিয়াক আহমেদ :  ভোলা জেলা তথ্য অফিস এর উদ্যোগে ‘‘তারুণ্যনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের করণীয়’’ শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোলা সরকারি কলেজে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.টি.এম. রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক মো: আজাদ জাহান। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) জনাব রিফাত ফেরদৌস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক জনাব মো: মিজানুর রহমান। আলোচনাসভার মূল কনসেপ্ট পেপার উপস্থাপন করেন ভোলা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক আজগর আলী।
এ সময় বক্তারা তারুণ্যনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন। তরুণরা নতুন বাংলাদেশ গড়বে, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ যাবতীয় মৌলিক ও মানবিক অধিকারগুলো সকলে লাভকরবে। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে হলে তরুণদের নিরলস পরিশ্রম করতে হবে।
অনুষ্ঠানে তরুণদের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা জানান যে, তারা এমনভাবে দেশ গড়তে চায় যেখানে মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ থাকবে না। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-লিঙ্গ নির্বিশেষে কোন বৈষম্য থাকবে না। বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের অগ্রণী ভূমিকা অনস্বীকার্য। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও সরকার বা নীতি পরিবর্তনে তরুণরাই সবসময় প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান এর জ্বলন্ত প্রমান।
 সমাবেশে বক্তারা বলেন, অমিত সম্ভবনার আমাদের এই বাংলাদেশ, তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর মানে হচ্ছে তরুণদের স্বপ্ন আর অভিজ্ঞদের অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণের প্রয়োজন, প্রয়োজন সর্বক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতা। তরুণ বা জেন-জি যা-ই বলিনা কেন, তারা যে নতুন ধারার রাজনীতির কথা বলছে এই ধারায় তারা দেশের উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন আনতেও সবাইকে নিয়ে নেতৃত্ব দেবে বলে বক্তারা আশাবাদী। বক্তারা আরও বলেন, তারুণ্যের চিন্তাভাবনাই তৈরি করতে পারে ভবিষ্যত বাংলাদেশের রূপরেখা। সুশাসন, মানসম্মত শিক্ষা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা আছে তাদের মাঝে। রাষ্ট্র সংস্কার ও পুনর্গঠনে তরুণদের চিন্তা চেতনার সমন্বয় সাধন ও তার প্রকাশ ঘটাতে হবে কাজ বাস্তবায়নে মাধ্যমে।  অনুষ্ঠানে প্রায় ৩শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।