অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩


খালেদা জিয়ার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জশুনানি ২৭ নভেম্বর


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০শে নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৫:২৫

remove_red_eye

২৩৩

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় চার্জশুনানির জন্য আগামী ২৭ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক আবু তাহের এ দিন ধার্য করেন।

আজ এ মামলার চার্জশুনানির দিন ধার্য ছিল। এদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদনের শুনানি করেন তাদের আইনজীবী। তবে এদিন শুনানি শেষ না হওয়ায় আগামী ২৭ নভেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে গত বছর ৮ আগস্ট দুদকের পক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল চার্জশুনানি করেন৷ শুনানিতে তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আর্জি জানান। এরপর থেকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন শুনানি করছেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়। ওই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এরপর ২০০৮ সাল থেকে উচ্চ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ ৯ বছর মামলাটির বিচার কাজ স্থগিত ছিল। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২৮ মে সে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়। এরপর থেকে মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য রয়েছে।

মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, এমকে আনোয়ার, এম শামসুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন। আর যুদ্ধাপরাধ মামলায় জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তাদের বাদ দিয়ে এখন বাকি আসামিদের বিচার চলছে।

খালেদা জিয়া ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- জোট সরকারের সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এস আর ওসমানী ও সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন।