অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় বোর্ড পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তনের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৫:৫৭

remove_red_eye

৩৪৮

২ কিলোমিটার দূরত্বে পরীক্ষার কেন্দ্র নেয়া হয়েছে ৩২ কি:মি দূরে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা সদর থেকে অন্য উপজেলায় পরীক্ষার কেন্দ্র সরিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে ভোলার দুটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে প্রায় ঘন্টাব্যাপী ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যায়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধন চলাকালে শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৬ সাল থেকে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণবঙ্গ পলিটেকনিক ও হীড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বোর্ড সমাপনী পরীক্ষা ভোলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে  অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধাজনক কারণ হলো কেন্দ্রটি মাত্র ২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এবং যাতায়াত ব্যবস্থাও ভালো। অপরদিকে গত ১০ নভেম্বর বোর্ড প্রকাশিত কেন্দ্র তালিকায় ভোলা সদর থেকে  প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বোরহানউদ্দিন উপজেলার ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, তাদের প্রতিষ্ঠানের থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরত্বে হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থাও অনুক‚ল নয়। এতে করে যাতায়াত খরচ বৃদ্ধি পাবার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো কষ্টকর হবে বলে জানান  শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা মনে করছে, পরীক্ষার দিন যাতায়াতের অসুবিধা তাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং পরীক্ষায় তাদের ফলাফলের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাদের জন্য সুবিধাজনক কেন্দ্র নির্বাচনের জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান তারা। এমন পরিস্থিতিতে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে, তারা পুনরায় ভোলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বোর্ড সমাপনী পরীক্ষার কেন্দ্র রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবি মানা না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান ছাত্রদের ন্যায্য দাবি উল্লেখ করে বলেন, তাদের স্বারকলিপির ভিত্তিতে বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা উপদেষ্টার বরাবর পাঠিয়ে দেয়া হবে। যাতে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।