অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩


রাজাপুরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধি দল


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ই অক্টোবর ২০২৪ বিকাল ০৫:৫৭

remove_red_eye

২৪৪

বাংলার কন্ঠ ডেস্ক : জেলা নেতৃবৃন্দের  নির্দেশনায় রাজাপুরের  দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।
বৃহস্পতিবার সন্দা সাড়ে ৭ টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির যুবদল, সেচ্ছাসেবকদল,ছাত্রদল সহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিয়ে রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ শাহজাহান বেপারীর নেতৃত্বে ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডের সরকার বাড়ীর দরজার রামদাস পুর পঞ্চায়েত বাড়ী পুজা  মন্ডপ পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
 
প্রতিনিধি দলের প্রধান অতিথি  শাজাহান   সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে দেশের সকল মন্ডপে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে বিএনপি। 
কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক মন্ডপ পরিদর্শন 
 ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নানা বিষয় খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসাবে রাজাপুরে এই পরিদর্শন ও সার্বিক বিষয়ে সরেজমিনে এসেছি আমরা।  উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে সে বিষয় বিএনপি ও বিএনপির অঙ্গ সংগঠন  সজাগ রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আক্তার রুমি বলেন আমরা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও জেলা নেতৃবৃন্দের নির্দেশে অদ্যুশিত এলাকার পুজা মÐপ সংশ্লিষ্ট ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ সঙ্গে মতবিনিময় করছি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এ ধর্মীয় উৎসবের শান্তি শৃঙ্খলাসহ নানা বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। 
পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান  মোঃ শাজাহান বেপারী নিজস্ব উদ্যোগে এই মন্ডুপে  আর্থিক অনুদান প্রদান করার আস্বাস প্রদান করেন। 
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মিজানুর রহমান (হারুন), সাংগঠনিক লাহবউদ্দীন, ছাত্রদল সভাপতি রুবেল চৌকিদার, ইউনিয়ন যুবদল নেতা তাজুল ইসলাম,  ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাইনুদ্দিন দফাদার, কবির হোসেন মৃধা, রহুল আমিন মাতাব্বর, তুহিন ফকির, যুবদল নেতা মিজানুর রহমান প্রমুখ। 
এসময় পুজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি কালাচান প্রতিনিধিদলের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন আমরা রাক্ষুসে মেঘনায় ভাঙ্গনে আমাদের ভিটেমাটি হাড়িয়ে  মাত্র কটি পরিবার এখানে ১১ বছর পুর্বে এসেছি। ১১ বছর ধরেই মুসলিমরা আমাদের পূজা পার্বনে সহায়তা করছেন। আমাদেরকে তাদের মত করেই আগলে রেখেছেন। কখনো কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা হতে দেন নি। এখানে মুসলিমরা আমাদের  পূজা উৎসবে আর্থিক সহায়তা করেন। এসময় তিনি বলেন আমাদের মন্ডুপের একটি ঘর নাই আমাদের একটি ঘরের ব্যাবস্থা করে দেওয়ার আবদারও জানান তিনি।