অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৬ই জুন ২০২০ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭


দিন রাত জনগণকে স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন ভোলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম নকীব


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ই মে ২০২০ রাত ১১:৪৪

remove_red_eye

১১৫

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক::  ভোলা সদর উপজেলার তেরটি ইউনিয়নের মধ্যে ৪নং কাচিয়া ইউনিয়নটি একটি অন্যতম ইউনিয়ন যা বাংলার দ্বীপের রাণী বলে খ্যাত দ্বীপ জেলা ভোলার আনাচে কানাচে সকলের বেশ ভালো জানা শুনা আগে থেকেই রয়েছে। এই ইউনিয়নে প্রায় ত্রিশ হাজার লোকের বসবাস। ভোলা জেলার হাতে গোনা কয়েকটি ইউনিয়নের বেশ সুনাম আগের থেকে থাকলেও বিশেষ করে কাচিয়া ইউনিয়নটি একটি উল্লেখযোগ্য, যার অনেকটা সুনামও রয়েছে অন্যান্য সকল ইউনিয়নের জনগণের কাছে। আর এই সুনামটি অর্জিত হয়েছে টানা তৃতীয় বারও কাচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনগণের অত্যন্ত কাছের বিপদ আপদেও বন্ধু যিনি প্রথম বার চেয়ারম্যান হয়েই জনগণের মনের মণি কোঠায় জায়গা করে নিয়ে পরÑপর তিন বার সততা ও সুনামের সাথে দীর্ঘ ১৪ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা বর্তমান ভোলা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক কাচিয়া ইউনিয়নের তথা ভোলা জেলার তিন বারের জনপ্রিয় এবং জেলার তের ইউনিয়নের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও স্বনামধন্য চেয়ারম্যান জনাব মোঃ জহুরূল ইসলাম নকীবের জন্য। তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে কি দিনে, কি রাতে সব সময় এই ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের সুখে,দুঃখে,বিপদে আপদে ছায়ায় মত পাশে থেকে এখনো সততা ও বেশ সুনামের নিরলস কাজকরে যাচ্ছেন। যে বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য,আবার যে বিধবা ভাতা পাওয়ার যোগ্য এবং যে,রিলিপ পাওয়ার যোগ্য,অর্থাৎ সরকারি যত সুয়োগÑসুবিদা তা তিনি মুখদেখে না দিয়ে সকলকে সমানে দিয়ে যাচ্ছেন, এবং প্রতিটি বিচারÑআচার ও তিনি বেশ সততার সাথে ন্যায়ভাবে সমাধান করেন বলে,তার বেশ সুনাম ও পরিচিতি ইতোমধ্যে এই পুরো ইউনিয়ন তথা ভোলার আনাচে Ñকানাচেও পরতে শুরু করেছে। আর তারই কারণে ভোলা বাসীর সবার প্রিয় নেতা বাংলাদেশের প্রবীণএবং বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ,৬৯এর গণঅভুথ্যানের মহা নায়ক বঙ্গবন্ধু উপাদি দেওয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সফল বানিজ্যমন্ত্রী জনাব আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ তার এই জন দরদ ও জনগণের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম দেখে তাকে অত্যান্ত ¯েœহ করেন এবং ভালোবাসেন বলে বারÑবার তাকেই কাচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। এবং এখনও পযর্ন্ত তিনি কাচিয়া ইউনিয়নের তথা ভোলা জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যানের উপাদি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে করোনা ভাইরাসের মহামারিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় চেয়ারম্যান,মেম্বার,উপজেলা চেয়ারম্যান,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের, নামে যেভাবে দূর্নীতি ও চাল চুরির অভিযোগ শুনা যায়, সেই যায়গায় তিনি সরকারের সকল ত্রাণ তার নিজ হাতে সকল মেম্বারদের মাঝে সঠিক ভাবে বন্টণ করে দিয়ে দলমত নির্বিশেষে সকল গরীব,এতিম, অসহায়,দুস্তদের মাঝে সঠিক ভাবে বন্টণ করে দেওয়ার জন্য মেম্বারদেরকে আহব্বান জানান। আবার মেম্বাররা তা সঠিক ভাবে বিতরণ করল কিনা গোপনে তারও খোঁজ খবর নেন তিনি। শুদু তাই নয়,এই মহামারীতে তিনি  নিজে ব্যক্তিগত ভাবে প্রথম ধাপে(৫৫০)পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাল, ও ৫ কেজি আলু , ১ কেজি পেয়াইজ, ১ কেজি ডাল ও একটি করে লাক্স সাবান পুরো ইউনিয়নের সব ঘরে বিতরণ করেন। এছাড়াও তিনি গত ০৫Ñ০৫Ñ২০ তারিখে ভোলার খেয়াঘাটে বি. আই.ডব্লিউ.টির অফিসে ১০৪ জনকে ২০০০ করে বিতরণ করেন। দ্বিতীয় ধাপে আবার গত ০৭Ñ০৫Ñ২০২০ তারিখে  (১০০০) টাকা করে ২০০ পরিবারের মাঝে বিতরণ করেন। সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাৎ করে তিনি বলেন, বর্তমান মহামারির এই ক্রান্তিলগ্নে সকল বিত্তবানরা দেশের এতিম,দুস্ত,ও অসহায়দের সাহায্য করে দেশকে এই মহামারি দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি। যাতে করে এই বিপদের দিনে কিছুটা হলেও সরকারের সহযোগীতা হয়। আর এমনি ভাবে সামাজের সকল বিত্তবানরা যদি যারÑযার জায়গা থেকে সাহায্যেও হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে আমাদের সরকারের এত কষ্ট করতে হবেনা। তাই আমি আশা করি দেশের এই ক্রান্তি সকল বিত্তবানরা যারÑযার সামর্থ অনুযায়ী দেশের সহযোগীতায় এগিয়ে আসবে। তবেই হয়তো আল্লাহ আমাদেরকে খুব দ্রুত এই মহামারি থেকে রক্ষা করতে পারে। আর একটি কথা না বললেই নয়, আল্লাহ আমাকে সামর্থ দিয়েছে বলেই আমি দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মানুষের এই  মহা বিপদের দিনে এতিম,দুস্ত,ও অসহায়দের সাহায্য করতে পেরেছি। আর যদি আল্লাহ আমাকে সামর্থ না দিত তাহলে হয়তো আমিও মানুষের এই কষ্টের সময় সাহায্য করতে পারতাম না। বিধাতার কাছে আমার হাজারÑহাজার শুকরিয়া যে, বিধাতা আমাকে কিছুটা হলেও সামর্থ দিয়েছে মানুষকে এই কষ্টের সময় সাহায্য করার জন্য। তাছাড়া দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যারা এতিম ও অসহায়দের মাল চুরি করে খাবে সংয় আল্লাহপাক অতি শিগ্রহী তাদের উপর গজব নাজিল করবে। আমার বাবা আমাকে ছোট বেলায় শিখিয়ে গেছেন, জীবনে মানব সেবা পরম সেবা এবং বড় মহৎ কাজ। তার মুখের সেই চিরন্তন বাণী আমি আজও মনে রেখে অক্ষরেÑঅক্ষরে তা পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আর তাই আমি  সকলের উদ্দেশ্য সারা জীবনের জন্য একটি চিরন্তন কথা বলে যেতে চাই চুরি,মিথ্যা,প্রতারণা মানুষ ঠকানো কোন সভ্য মানুষের আচরণ হতে পারে না। ওরা পশু জানোয়ারের চেয়েও খারাপ। দোয়া করবেন আমি যেন আমার নেতার ¯েœহ ও ভালোবাসা এভাবেই ধরে রেখে আজীবন এই ইউনিয়নবাসী তথা ভোলা বাসীর খেদমত কওে যেতে পারি।




আজকের সাহরীর ও ইফতারে সময় সূচী ভোলা জেলার জন্য