অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩


অতি জোয়ারে ইলিশা ফেরিঘাট প্লাবিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে আগস্ট ২০২৪ রাত ১১:১২

remove_red_eye

২৭৮

 

মোঃ ইসমাইল।। ভোলায় গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ও সাগরে লঘুচাপের কারনে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে মেঘনা নদীর পানি। এর প্রভাবে অতি জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট । এতে করে ভোলার ইলিশা-লক্ষীপুর ঘাটের ফেরী চলাচল ব্যহত হচ্ছে। দুই পারের বহু যানবাহন ফেরিঘাটে আটকা পড়ে আছে। যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের। অন্যদিকে ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফেরির দেখা পাচ্ছেন না তারা।বুধবার ( ২১ আগস্ট) বিকালে ইলিশা ফেরিঘাটের এমন দুর্দশার চিত্র দেখা গেছে। 

 

ঘাটের পরিবহন শ্রমিকরা জানায়,এ ঘাটটি যেভাবে তৈরি করা উচিত ছিলো সেভাবে এটি তৈরি করতে পারে নি। হাই ওয়াটার ঘাটটি আরো উচু করা উচিত ছিলো।অপেক্ষাকৃত নিচু স্থানে হওয়ায় অতি জোয়ারে গত কয়েকদিন ধরে সেটি পানিতে নিমজ্জিত থাকে। আর তাই গত কয়েকদিন যাবৎ এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলেও জানান তারা।

 

ফেরির অপেক্ষা থাকা একাধিক ট্রাক চালক বলেন, অতি জোয়ার হলেই হাই ওয়াটার পল্টুন তলিয়ে থাকে। এতে এক প্রকার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মালবাহী গাড়ি ফেরিতে উঠাতে হয়।যে কোনো সময় হতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।তাই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে আমরা চাই দ্রুত ঘাট দুটো সংস্কার করা হোক। 

 

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সাথে সহজ যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি সার্ভিস।বর্তমানে এমন পরিস্থিতিতে ব্যহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।পাশাপাশি প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হচ্ছে ফেরি চলাচল।এতে করে ক্ষতির সমুক্ষিন হওয়ার কথা জানান ,শ্রমিকদের মধ্যে কেউ কেউ।তাই অতি দ্রুত ঘাটে সংস্কারের জানান তারা।

 

এদিকে বিআইডব্লিউ টিসির প্রান্তিক অধিক্ষক আল মামুনুর রশীদ জানান,অতি জোয়ারের সময় হাই ওয়াটার পল্টন ডুবে থাকায় তাদের ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে।এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান তিনি।

 

এ বিষয়ে কথা হয় বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের সাথে।তিনি বাংলার কন্ঠকে জানান, অতি জোয়ারের পানিতে ফেরিঘাট তলিয়ে ছিলো। ভাটার সময় আবার সেই পানি নেমে গেছে। এতে জোয়ারের সময় ফেরি চলাচল বন্ধ ছিলো পরে সচল হয়েছে।

 

তবে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন শ্রমিকদের এমন দূর্ভোগ এড়াতে কবে নাগাদ এ সমস্যার সমাধান হবে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় নি।