অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২রা মে ২০২৬ | ১৯শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলা-মেহেন্দিগঞ্জ সীমান্ত একালায় সোনালী মৎস্য খামারে হামলার অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ই জুন ২০২৪ দুপুর ০২:২১

remove_red_eye

২৪৭

শফিক খাঁন : ভোলা সদর পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গাগুরিয়া এলাকায় সোনালী মৎস্য খামারে হামলা চালিয়ে জমি দখলের চেষ্ঠা চালিয়েছে এক দল ভূমিদুস্য গ্রুপ। স্থানীয় ও মালিক পক্ষের হস্তক্ষেপে ঐ জমি দখল থেকে পিছু হটে ভূমিদস্যু জসিম মেম্বার ও মিজান মেম্বার ।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজন এবং সোনালী মৎস্য খামারের মালিক খোকন গোলদার থেকে জানা গেছে, বিগত ২ বছর পূর্বে জনৈক জাকির বাঘার কাছ থেকে ৪.২৬ একর জমি খরিদ করে মৎস্য খামার তৈরি করে মাছের চাষাবাদ ও ফসলাদির বাগান করে আসছেন খোকন গোলদার। কিন্তু ভূমিদস্যু জসিম মেম্বার ও মিজান মেম্বার স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ঐ মৎস্য খামারটি ৬ মাস আগ থেকে কৌশলে দখলের চেষ্টা চালায়। এরই মধ্যে কে বা কাহারা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে জমি দখল করছে মর্মে জানায়। পরে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ এসে ঘটনার কোন সত্যতা পায়নি। এমনকি যে বাদী হয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়েছে তাকেও পুলিশ খুজে পায়নি। এদিকে ঐ জমির মালিকানা দাবী করে আব্দুর রব দরবেশ বরিশাল কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আদালত মেহেন্দিগঞ্জের এসিল্যান্ডকে তদন্তের নির্দেশ দেন। 
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক শালিশ মীমাংশার আয়োজন হয়। সেখানে আদালতের তদন্ত চলাকালীন সময় পর্যন্ত যে যার অবস্থানে আছে সে অবস্থান বজায় রাখার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। কিন্তু ভূমিদস্যু জসিম মেম্বার ও মিজান মেম্বার ঐ সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার সকালে একদল সশস্ত্র লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে মৎস্য খামারটির প্রবেশ মুখসহ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক সুপারির চারা রোপন এবং ঘের থেকে মাছ ধরার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে জমির মালিক খোকন গোলদারসহ অন্যান্য মালিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জমি দখল এবং সুপারির চারা রোপনের প্রতিবাদগ করলে মিজান মেম্বারসহ তার লোকজন মারমুখি আচরণ করে। এসময় সাংবাদিকরা ভিডিও ধারন করতে গেলে তাদের সাথেও চরম দুর্ব্যবহার করে মিজান মেম্বারের লোকজন। মিজান মেম্বার সাংবাদিকদের জানান সুপারি গাছ রোপণের কথা মিজান. মেম্বার স্বীকার করে তিনি জানান, ঐ জমিতে আমাদের পাওনা আছে।