অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২রা মে ২০২৬ | ১৯শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১শে মে ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:১৫

remove_red_eye

৩৫৫

এইচ আর সুমন : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে ভোলা জেলা বিএনপি। শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ভোলা বড় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ নুরে আলম।

ভোলা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শফিউর রহমান কিরনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রাইসুল আলম। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম খান, যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ ট্রুম্যান, হুমায়ুন কবির সোপান এনামুল হক কবির হোসেন।আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইয়ারুল আলম লিটন, ভোলা পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহ মোঃ মনির,

সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত আলী, ভোলা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোলা জেলা যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মাসুদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সহিদুল আলম মানিক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তানভীর হোসেন তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল জেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুর রহমান সেন্টু,জেলা যুবদলের সভাপতি আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক আঃ কাদের সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম ফেরদৌস, সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুনতাসির আলম রবিন চৌধুরি, জাকির হোসেন মনির ,জেলা ছাত্রদলের ভার প্রাপ্ত সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হাওলাদার, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুল আল রাসেল, জেলা ছাত্রদল নেতা নূর মোহাম্মদ রুবেলসহ জেলার বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

 বক্তারা বলেন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে জাতি যখন দিশেহারা তখনই নেতৃত্বশূন্য জাতিকে মুক্তি দিতে এগিয়ে এসেছিলেন জিয়াউর রহমান। ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে তিনি পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘উই রিভোল্ট’ বলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে তিনি চুপ করে বসে ছিলেন না। তিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন, আবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের মাঠে থেকে দেশকে স্বাধীন করেছেন। সেদিন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই পার্শবর্তী দেশে চলে গিয়েছিলেন। আরো বলেন 

উপজেলা নির্বাচনে টাকা দিয়েও আওয়ামী লীগ ভোটকেন্দ্রে মানুষ নিয়ে যেতে পারছে না। আসুন আমরা আজকের এই দিনে প্রতিজ্ঞা করি সকলে একত্রিত হয়ে দলের জন্য কাজ করে যাব।