অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৩০শে মে ২০২০ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭


ইলিশা ঘাটে দ্বিতীয় দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের উপচে পড়া ভিড়, পুলিশের বাঁধা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮শে এপ্রিল ২০২০ সকাল ১০:৪৮

remove_red_eye

৬১

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক:: করোনা পরিস্থিতির মাঝেই গার্মেন্টসহ বিভিন্ন কারখানা খোলায় ঢাকামুখী যাত্রীদের ভীড় বাড়ছে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে। বিশেষ করে গার্মেন্ট শ্রমিকরা আসছেন ঢাকা,গাজীপুর,সাভারসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের গুনতে হচ্ছে কয়েকগুন বেশি ভাড়া। তবুও ফিরতে পারছেন না কর্মস্থলে। যানবাহন না পেয়ে অনেকে এ্যাম্বুলেন্সে করেও ফিরছেন। দ্বিতীয় দিনের মতো এমনই চিত্র দেখা গেছে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে।          
 
সূত্র জানায়, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিনাঞ্চলের শ্রমিকদের বেশি দূর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। যাত্রী প্রতি ১৫'শ টাকা দিয়ে চরফ্যাশন থেকে এ্যাম্বুলেন্সে ইলিশা ঘাট পর্যন্ত আসতে দেখা গেছে বেশ কয়েকজনকে। লঞ্চ না থাকায় ফেরির অপেক্ষা থেকে পরে পুলিশ কোস্ট গার্ডের বাঁধার মুখে পড়ে ফিরতে হয়েছে স্ব স্ব স্থানে। দ্বিতীয় দিনের মতো ইলিশা ঘাটে যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে।
 
ভোলা থেকে ঢাকা যাবেন শ্রমিক হান্নান। তিনি বলেন, ‘গাড়ি না চলায় চরফ্যাশন থেকে এ্যাম্বুলেন্সে ১৫ শ টাকা ভাড়া দিয়ে এসেছি ইলিশা ঘাটে। ঢাকা যেতে না পারলে চাকুরি থাকবে না।’
 
গাজীপুর যাবেন লিমা বেগম। তিনি বলেন,  ‘অনেক কষ্ট করে গঙ্গাপুর থেকে আসছি। গার্মেন্ট খুলছে কিন্তু বাস ছাড়েনি। তাই কোন মতে ভোর রাতে ইলিশা ঘাটে এসেছি। কিন্তু এখানে পুলিশ কোস্টগার্ড যেতে দিচ্ছে না। যখন যা পাচ্ছি তাতেই যাওয়ার চেষ্টা করছি।’
 
ইলিশা ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক কে এম এমরান হোসেন বলেন,‘সরকারি নির্দেশনায় ফেরি সীমিত আকারে চালু হয়েছে। এখন ৩টি ফেরি চলছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ফেরি দিয়ে যাত্রী চলাচল করানো হচ্ছেনা। শুধুমাত্র তরমুজের কিছু গাড়ি পারাপার হচ্ছে।



আজকের সাহরীর ও ইফতারে সময় সূচী ভোলা জেলার জন্য



আরও...