অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৩রা মে ২০২৬ | ১৯শে বৈশাখ ১৪৩৩


বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের গেটি ইমেজের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ই এপ্রিল ২০২৪ রাত ০৮:৫০

remove_red_eye

২৬২

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংক্রান্ত ফুটেজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও যুক্তরাষ্ট্রের ভিজ্যুয়াল মিডিয়া সংস্থা গেটি ইমেজের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার নিউইয়র্কে গেটি ইমেজ অফিসে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ‘দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের অডিও ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মোফাকখারুল ইকবাল এবং গেটি ইমেজের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া প্যাসিফিক টিভি অ্যান্ড সেলস ডিরেক্টর অ্যারান বার্চেনো সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এই সময় ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারের সাথে গেটি ইমেজের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশেষ করে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদটি প্রচার হয়।
এছাড়াও, মহান মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা ছবি ও সংবাদ প্রকাশ করে। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে গেটি ইমেজ, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে এসব অমূল্য দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করবে। এরফলে, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রকৃত ইতিহাস ভবিষ্যত প্রজন্মের নিকট তুলে ধরার সক্ষমতা অর্জন করবে।
এ দিন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন পরিদর্শন করেন।