অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৩রা মে ২০২৬ | ২০শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রাত ১১:৪৫

remove_red_eye

৩৪০

মলয় দে : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভোলায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উনসত্তরের গনঅভ্যুত্থানের মহানায়ক, আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদেও সদস্য ,ভোলা -১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ।
এসময় রাজনৈতিক কিংবদন্তি তোফায়েল আহমেদ ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন এবং এ দিবসটি যেভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায় তার পটভ‚মি তুলে ধরে বলেন,১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে তখন এ ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।আমার সুযোগ হয়েছিলো বঙ্গবন্ধু কন্যার সাথে জাতিসংঘে যাওয়ার।
তিনি এসময় জাতিসংঘে ঘটে যাওয়া ঘটনার স্মৃতিচারণ করে আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  ১৯৭৪ সালে ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বক্তৃতা করেছিলেন।
তার কন্যা সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন জাতিসংঘে বাংলায় বক্তৃতা করেছিলেন।এতো সুন্দর বক্তৃতা তিনি দিয়েছিলেন যা শুনে সেদিন সেখানে বরেন্য ব্যক্তিবর্গ যারা উপস্থিত ছিলেন তারা আমাকে জড়িয়ে ধরে বলেন তোমরা গর্বিত জাতি।তোমরা তোমাদের দেশকে ও তোমাদের নেত্রী কে নিয়ে গর্ব করতে পারো। শেষে তিনি মাতৃভাষার যে স্বীকৃতির জন্য শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
সভায় ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু,পুলিশ সুপার মাহিদুজ্জামান,সিভিল সার্জন একেএম শফিকুজ্জামান,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব,জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শফিকুল ইসলাম, ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক বাংলার কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক এম.হাবিবুর রহমানসহ সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা মঞ্চ মাতানো নৃত্য, গান ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।